ভিডিও মনিটাইজেশনের ক্ষেত্রে (ভিডিও থেকে অর্থ উপার্জনে) অশ্লীলতা সম্পর্কিত নিয়মে পরিবর্তন এনেছে ইউটিউব। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গালাগালি আছে এমন ভিডিও থেকেও অর্থ উপার্জন করতে পারবেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর বা নির্মাতারা। তবে শর্ত হচ্ছে, ভিডিওর প্রথম সাত সেকেন্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে অশ্লীলতা। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ইউটিউবে’র মনিটাইজেশন বিভাগের প্রধান কনর কাভানাহ্ অশ্লীলতার নিয়ম শিথিল করার বিষয়টি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ভিডিও মনিটাইজেশনের ক্ষেত্রে ইউটিউব প্রথম অশ্লীলতা সম্পর্কিত নিয়মে পরিবর্তন আনে ২০২২ সালের নভেম্বরে। সেবার তাঁরা ঘোষণা করে যে, কনটেন্ট নির্মাতারা ভিডিও’র প্রথম ৮ থেকে ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে যদি অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করেন, তাহলে সে ভিডিও বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারে।
এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ২০২৩ সালের মার্চে ইউটিউব আবারও অশ্লীলতার নিয়মে পরিবর্তন নিয়ে আসে। এবারে তাঁরা জানায়, অশ্লীলতা আছে এমন ভিডিওগুলো বিজ্ঞাপন থেকে সীমিত আকারে আয় করতে পারবে। তবে ভিডিও’র বেশিরভাগ অংশে অশ্লীলতা থাকলে অর্থ আয় করা যাবে না।
মঙ্গলবার প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় কনর কাভানাহ্ বলেছেন যে, দুই বছর আগে আনা পরিবর্তনগুলো মূলত ইউটিউব ভিডিও-কে সম্প্রচার মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলার জন্যেই করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘আমরা সম্প্রচার (ব্রডকাস্ট) মানদণ্ডের সাথে সঙ্গতি রাখতে এই নির্দেশিকা প্রকাশ করেছিলাম। বিজ্ঞাপনদাতাদের প্রত্যাশা ছিল, ইউটিউব বিজ্ঞাপন থেকে অশ্লীলতা দূরে থাকবে। সেই প্রত্যাশায় পরিবর্তন এসেছে, এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে এখন এমন কনটেন্ট বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে, যেখানে তারা অশ্লীলতার মাত্রা নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন।’
কাভানাহ্ আরও উল্লেখ করেন যে, নির্মাতারা যদি ভিডিও’র শিরোনামে বা থাম্বনেইলে মাঝারি বা তীব্র মাত্রার অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করেন তাহলে সেই ভিডিওগুলো থেকে অর্থ উপার্জন সীমিত হতে পারে।
তথ্যসূত্র: টেকক্রাঞ্চ