হতশ্রী ব্যাটিংয়ে মাত্র ১৪১ রান তাড়া করতে পারেনি বাংলাদেশ

হতশ্রী ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাত্র ১৪১ রান তাড়া করতে পারেনি বাংলাদেশ। হারারেতে প্রথম ওডিআইতে ২৫ রানে হার। সাত ব্যাটার আউট এক অঙ্কে, তাতে গুটিয়েছে ১১৬ রানে। এর আগে নাহিদ রানার বোলিং তোপে দেড়শো করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। ২১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ড গড়েন রানা। 

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভাগ্য ভালো--বলাই যায়, তা না হলে জঘন্য খেলার পর.... লজ্জার রেকর্ডের পরেও সমালোচনা নেই সেভাবে। মাত্র আড়াই দিনে টেস্ট হারের পর, মাত্র ১৪১ রান তাড়ায় ওয়ানডে হার। ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ঢাকা পড়েছে টাইগারদের ভরাডুরি। 

উইকেট কন্ডিশন যাই হোক না কেন ওয়ানডেতে ১৪১ রান মামুলি। তবে নামটা যখন বাংলাদেশ, ভয় থেকেই যায়। যে কোনো পরিস্থিতি থেকে হারের রেকর্ড তো অতীতে অনেক আছে। 

তামিম-শান্তর পথ ধরে ফেরেন সৌম্য-ও। মাত্র ১৭ রানে হারায় ৩ উইকেট। সোহান-হৃদয় জুটি গড়েন। একটা বড় জুটিই যথেষ্ট ম্যাচ জয়ে। সে পথেই থাকেন দুজন। সময় নিয়ে, ৮৮ বলে ৪৯ রানে জুটি গড়েন। হৃদয় ২৫ করে ফিরলে, আবারও ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় জিম্বাবুয়ে। 

মোসাদ্দেক ৩ আর মিরাজ ১০ কোরে আউট হলে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৮৯ রান। এক পাশ আগলে ভরসা হয়ে থাকা সোহানও হতাশ করেন, ফেরেন ৩১ কোরে।  ১০০-এর নিচে নেই ৭ উইকেট।
 
বাকিরা আর কিই-বা করবেন। রিশাদ, তাসকিন, মুস্তাফিজরা আউট হলে, ১১৬-তে গুটিয়ে ২৫ রানে হার বাংলাদেশের। এনগারাভা ও ইভান্স নেন তিনটি কোরে উইকেট। 

এরআগে, নাহিদ রানার আগুনে জিম্বাবুয়ের ধস। গতি দিয়ে স্বাগতিক ব্যাটিং লাইনআপ তছনছ করে দেন। যদিও ৩৬ রানে কোন উইকেট হারায়নি ওরা। রান আউটের পর তাসকিনের দুই উইকেট।
 
এরপর রাজা, মাধেভেরে, ইভান্সদের একে একে  ফেরান রানা, ১০০ নিচে অল আউট হতে বসা দলকে ১৪১ রানের পুজি এনে দেন নাউমুরি ও এনগারাভা। দুই জনের জুটি ৬৩ রানের। সর্বোচ্চ ৩৩ রান নাউমুরির। ক্যারিয়ার সেরা ২১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে, টাইগারদের সেরা পেস বোলিং রেকর্ড এখন রানার দখলে। পেছনে ফেলেন মাশরাফিকে।

তবে, রানার কীর্তি ম্লান হতশ্রী ব্যাটিংয়ে। একই ভেন্যুতে সিরিজ বাঁচাতে নামবে ৯ জুলাই।