হঠাৎ করে উত্তাল বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গন। বিসিবিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে আইসিসির কাছে কড়া ভাষায় ই-মেইল করেছেন সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এরপর সেটা অস্বীকারও করেছেন তিনি। তবে আইসিসি সেই চিঠি বিসিবিতে পাঠালে পরিষ্কার হয় সবকিছু।
‘শেষ হইয়াও হইল না শেষ’—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের সেই লাইনের মতো যেন বিসিবিতে বুলবুল অধ্যায়। যদিও শেষ হওয়ার না-হওয়ার থেকে বুলবুল হতে দিচ্ছেন না বললেই ভালো হয়।
তামিম ইকবাল সভাপতির চেয়ারে বসেছেন দেড় মাস হয়ে গেছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট ধাক্কা কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। ঠিক সেই সময় আলোচনার বাইরে থেকে হঠাৎ করেই দৃশ্যপটে বুলবুল। আইসিসির কাছে পাঠিয়েছেন একটি চিঠি।
তাঁর সময়ে যাঁরা পরিচালক ছিলেন, তাঁদের সাথে আলোচনা করে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ক্ষতি করতেই কি এমন সিদ্ধান্ত?
প্রায় ১৫ পাতার চিঠিতে বুলবুল আইসিসির কাছে তুলে ধরেছেন বর্তমান কমিটিতে যাঁরা আছেন তাঁদের পরিচয়। জেলা, বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কীভাবে পরিচালক করা হয়েছে, সেসবও জানিয়েছেন।
সব ঠিক ছিল, তবে বুলবুল দাবি জানান বিসিবিকে সব ধরনের আর্থিক অনুদান বন্ধের। সরকারকে সতর্ক করার পাশাপাশি আইসিসির ইভেন্টে বাংলাদেশ যেন অংশ নিতে না পারে, সেই দাবিও করেছেন সাবেক বিসিবি সভাপতি।
বাংলাদেশে যখন চারদিকে সমালোচনা, তখন আবারও মিথ্যার আশ্রয় নেন বুলবুল। ভিডিও বার্তা দিয়ে জানান, তিনি কোনো দাবি করেননি।
তবে আইসিসি যখন বিসিবিকে সেই চিঠি মেইলে পাঠায়, তখন সব পরিষ্কার হয়ে যায়। জানা যায় আসল ঘটনা।
এখন বিসিবি কী করবে? এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও আইসিসির চিঠির জবাব দেওয়ার পর আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপের দিকে হাঁটতে পারে বিসিবি।



