প্রথম ওভারেই ছক্কা মেরে শুরু করলেন রোহিত শর্মা। পরের ওভারেই চার। তখনই প্রথম হচ্ছিল, গ্রুপ পর্বের ম্যাচের ভুল আর করবেন না রোহিত। সেদিন অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক হতে গিয়ে নিজেদের ওপর চাপ বাড়িয়েছিলেন। আজ আর তেমন কিছু করার ইচ্ছা নেই তাঁদের।
এখন পর্যন্ত নিজেদের সে চেষ্টায় সফল রোহিত ও শুবমান গিল। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৭ ওভার শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান ভারতের।
প্রথম দুই ওভারে ছক্কা ও চার মারলেও রোহিতকে কোনঠাসা করে ফেলেছিলেন নাসিম শাহ। ফাস্ট বোলিংয়ের দুর্দান্ত প্রদর্শনীতে রোহিতকে দম ফেলার সুযোগ দিচ্ছিলেন না তিনি। কিন্তু অন্য প্রান্তে গিল ছিলেন রূদ্রমূর্তিতে। নাসিম শাহর প্রথম ওভারে থার্ডম্যানে ক্যাচ দিয়েছিলেন, ধরার চেষ্টা করতে গিয়ে বোলিং হাতের তর্জনি ও মধ্যমায় ব্যথা পান শাহিন শাহ।
এর ফলেই হয়তো আজ বলের লাইন লেংথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না শাহিন। আর গিলও আগ্রাসণ দেখিয়ে তাঁকে সেটা খোঁজার সময় দেননি। দুর্দান্ত সব শটে প্রায় দুই শ স্ট্রাইকরেটে রান নিচ্ছিলেন। প্রথম ১০ বলে ১০ রান করা রোহিত ২৬ বল শেষেও ১০ রানে ছিলেন। দশম ওভারে নাসিমকে টানা দুই চার মেরে একটু স্বস্তি পান রোহিত। প্রথম ১০ ওভারে ৬১ রান তোলে ভারত।
পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরও রানের গতি কমেনি, উল্টো বেড়েছে ভারতের। ১৩তম ওভারে ৩৭ বলে ফিফটি পান গিল। রোহিতের রান তখন ৩৮ বলে ২৮। সেই রোহিত ৪২ বলেই ফিফটি পেয়ে গেলেন। শাদাব খানকে টানা দুই ছক্কার পর চার মারলেন ১৩তম ওভারের শেষে। ১৫তম ওভারের প্রথম বলে আবার ছক্কা শাদাবকে। পরের বলেই চার।
পানি পানের বিরতিতে যখন যাচ্ছে দুই দল, ৪৮ বলে ৫৫ রান গিলের, ওদিকে সমান বলে ৫৬ রান রোহিতের। গিল মেরেছেন ১০টা ছক্কা। ১০ বার বল সীমানা পার করেছেন রোহিতও, তবে তাঁর বেলায় চারটি ছিল ছক্কা। বিরতি থেকে ফিরে মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই শাদাবকে তুলে মারতে গিয়ে লং অফে ক্যাচ দিয়েছেন রোহিত। অনেকটা দৌড়ে দারুণ ক্যাচ ধরেছেন ফাহিম আশরাফ।