সবার শেষে বিশ্বকাপের দল দিতে পারে, কিন্তু আলোচনা, বিতর্ক ও নাটকে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আলোচনা বা বিতর্ক সবই অবশ্য একটি ইস্যু নিয়ে, তামিম ইকবাল কেন নেই বিশ্বকাপ দলে?
গতকাল প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর নেতৃত্বে বাকি নির্বাচকেরা আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে বারবার বলেছেন, টিম ম্যানেজমেন্ট, মেডিক্যাল টিম, সবার সঙ্গে আলোচনা করে, সবকিছু বিবেচনা করে, সবকিছু চিন্তা করে, তামিমের চোটের ঝুঁকির কথা ভেবেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।
কিন্তু সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলছেন ভিন্ন কিছু। গত জুলাইয়ে তামিম ইকবালের অবসরের পর থেকেই বেশ ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী গণভবনে তামিমকে ডেকে পাঠালে বিসিবি প্রধানের সঙ্গে মাশরাফিও সঙ্গী হয়েছিলেন ৭ জুলাই। গতকাল বিশ্বকাপের দলে তামিম থাকবেন না, এমন গুঞ্জন যখন ওড়াওড়ি করছিল মিরপুরে, তখন বিসিবি প্রধানের সঙ্গেও দেখা করে গেছেন মাশরাফি। যদিও নির্বাচকের বলেছেন, তামিম-ইস্যুতে নয়, এমনিতেই দেখা করতে গিয়েছেন মাশরাফি।
এমন অবস্থায় এ ইস্যুতে মাশরাফির মত গুরুত্ব বহণ করে। এবং ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে মাশরাফি বলেছেন, বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তটা নাকি তামিম নিজেই নিয়েছেন, ‘একটা তথ্য হয়তো সবাই ভুল দিচ্ছে— তামিমকে বাদ দিয়েছে। আসলে সত্য হলো, তামিম দলে থাকতে চায়নি। দলে না রাখা আর থাকতে না চাওয়ার ব্যবধানটা অনেক। আমার মনে হয় এতটুকু সম্মান তামিমের প্রাপ্য।’
এটুকু হলে তো সবই ঠিক। একজন চোটাক্রান্ত খেলোয়াড় দেড় মাসের ধকল নিতে রাজি না হতেই পারেন। কিন্তু মাশরাফির স্ট্যাটাসের বাকি অংশ আবার প্রশ্ন জাগাচ্ছে, ‘এখন প্রশ্ন হতে পারে, তামিম কেন দলে থাকতে চাইল না। আসলে সে উত্তর আমার কাছে নাই। সেটা একমাত্র তামিমই বলতে পারে।’