প্রথম ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয়টা এসেছিল ৬১ রানে। অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ওয়ানডেতে আজ যখন প্রতিপক্ষ হয়ে এল জাপান, বাংলাদেশ আরও বড় ব্যবধানেই জিতবে - এটা অনুমিতই ছিল। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচটাতে বাংলাদেশ এত বড় ব্যবধানেই জিতল যে, রেকর্ডবই নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে গেল।
জাপানকে ৯৯ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ সে রান পেরিয়ে গেল ৯ উইকেট হাতে রেখে, ১১.২ ওভারে। অর্থাৎ, ২৩২ বল হাতে রেখে জিতেছে বাংলাদেশ।
জাপান ও বাংলাদেশের এই ম্যাচ যুব ওয়ানডের স্বীকৃতি পাচ্ছে না। তবে স্বীকৃতি পাওয়া ও না পাওয়া, সব মিলিয়েই বাংলাদেশের বয়সভিত্তিক দলের পরিসংখ্যান বলছে, বল হাতে রেখে জেতার রেকর্ডে এর চেয়ে বড় জয় আরও তিনটি আছে। সবচেয়ে বড় জয়টা ২৭০ বল হাতে রেখে, ২০১৬ সালে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে। তবে ওই তিনটির মধ্যে শুধু একটিই যুব ওয়ানডের স্বীকৃতি পায়। ২০০০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সে ম্যাচে নামিবিয়ার ৫৭ রান আশরাফুল-রাজিন সালেহদের বাংলাদেশ পেরিয়ে গিয়েছিল ২৩৩ বল হাতে রেখে।
গ্রুপে এ পর্যন্ত দুই ম্যাচের দুটিই জিতে গ্রুপ শীর্ষে আছে বাংলাদেশ। এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে গ্রুপের অন্য ম্যাচে লড়ছে শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেখানে শ্রীলঙ্কা জিতে গেলে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা দুই দলেরই সেমিফাইনাল নিশ্চিত। শ্রীলঙ্কার ২২০ রানের জবাবে আমিরাতের রান এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে ৪৫ ওভারে ৬ উইকেটে ২০২।
আজ শ্রীলঙ্কা হেরে গেলে অবশ্য সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা - তিন দলেরই সুযোগ থাকবে সেমিফাইনালে যাওয়ার। সে ক্ষেত্রে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে নেট রানরেট।
জাপানের বিপক্ষে আজ এই রান রেট বাড়ানোও বাংলাদেশের বড় লক্ষ্য ছিল। টস জিতে জাপানকে ব্যাটিংয়ে পাঠানো হয়তো সে কারণেই। জাপানের শুধু তিন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কে গেছেন, ২০-এর ঘরে যেতে পারেননি কেউ। বাংলাদেশের সাত বোলার বোলিং করেছেন, উইকেট পেয়েছেন সবাই। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন মাহফুজুর রহমান রাব্বী ও আরিফুল ইসলাম।
রান তাড়ায় শুরু থেকেই আগ্রাসী বাংলাদেশ। অষ্টম ওভারে জিশান আলমের (১৬ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ২৯) আউটে যখন ওপেনিং জুটি ভাঙে, ততক্ষণে বাংলাদেশের রান ৭১। অন্য ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলি দ্বিতীয় উইকেটে রিজওয়ানের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ২৯ রানের জুটিতে জিতিয়ে দেন বাংলাদেশকে। রিজওয়ান ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন, শিবলি তো ফিফটিই তুলে নিয়েছেন - ৪৫ বলে ৮ চারে করেছেন ৫৫ রান।