টেস্ট না খেলে টি-টোয়েন্টি লিগ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ক্রিকেটারকে নিয়ে প্রশ্ন সাবেক অধিনায়কের

অস্ট্রেলিয়ান বা ইংলিশ ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে এমনটা প্রায়ই দেখা যায়। ইংল্যান্ডে অ্যাশেজ চলার সময় দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়ারই কিছু খেলোয়াড় তখন কাউন্টিতে ব্যস্ত। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অ্যাশেজ চলছে, এই অবস্থায় ইংলিশ খেলোয়াড়দের দেখা যায় বিগব্যাশে।

হারিস রউফকেও দেখা যাচ্ছে এমন কিছু করতে। পাকিস্তান টেস্ট সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায়, ওদিকে পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার হারিস খেলছেন বিগব্যাশে। 
তবে একটু পার্থক্য আছে, ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াররা দলে জায়গা না পেয়ে তারপর বিকল্প কিছু বেছে নেন। পাকিস্তানেরই আরেক পেসার জামান খানও যেমন খেলছেন বিগব্যাশে। কিন্তু হারিসকে দলে ডাকার পরও ক্লান্তির অজুহাত দেখিয়ে টেস্ট দল থেকে নিজের নাম কাটিয়ে নিয়েছেন তিনি।

এ নিয়ে আগেও আলোচনা হয়েছে। গতকাল এক ম্যাচ হাতে রেখে পাকিস্তান সিরিজ হেরে বসেছে। এরপর আবার হারিস রউফকে নিয়ে ক্ষোভ ঝেড়েছেন সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। এবার টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানি পেসারদের গতি নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। কোনো পেসারই নিয়মিত ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করতে পারেননি।      
এ নিয়েই আক্ষেপ আফ্রিদির। দেশের সবচেয়ে গতিশীল বোলারকে দলে চান তিনি, ‘আমার ধারণা বিগব্যাশের বদলে দলের অংশ হওয়া উচিত ছিল হারিসের। এমন কন্ডিশনে ওর যে গতি, ও খুব ভালো করত। পার্থ ও এখানে যে উইকেট দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ও খুব উপভোগ করত।’

একদিকে হারিস নেই, অন্যদিকে শাহিন শাহ আফ্রিদির গতিও মধ্য ত্রিশেরও নিচে ছিল। অনেকেরই মনে হয়েছে, বাঁহাতি পেসার হয়তো চোট নিয়ে খেলছেন। তবে নিজের মেয়েজামাইয়ের ব্যাপারে এমন সন্দেহ অমূলক বলে জানালেন শহীদ আফ্রিদি, ‘আমার একবারও মনে হয়নি শাহিনের চোট আছে। চোট থাকলে ফাস্ট বোলার খেলতে পারে না। সে জানে দলের জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ, দলে তার দায়িত্ব কী।’

তবে শুধু কয়েকজন খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে খেলাটা পছন্দ হচ্ছে না আফ্রিদির, ‘ফাস্ট বোলারদের কাছ থেকে আমরা অনেক বেশি আশা করি কারণ ওরা অতীতে ভালো করেছে। বাবর, রিজওয়ান, শাহিন, অতীতে এত ভালো করেছে যে আমরা আশা করি সব ম্যাচেই ভালো করবে। ক্রিকেটে টানা ভালো করা চ্যালেঞ্জিং। ’