সকালের রোদে হাসছে বাংলাদেশ, কাঁপছে পাকিস্তান

আজ রাওয়ালপিন্ডিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল। সকালের সেশন ও লাঞ্চের পর বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল।সকালে কিছুটা গুমোট থাকলেও এখন রাওয়ালপিন্ডিতে ঝকঝকে সকাল। আর সে আলোতে বাংলাদেশ হাসছে। আর সিরিজ হারের শঙ্কায় কাঁপছে পাকিস্তান।

সাদমান ইসলামই যা একটু অতৃপ্তি ছড়ালেন। নেমে প্রথম বলই ক্যাচ দিয়েছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। নাহিদ রানার বলে উড়ে যাওয়া সে বল একদম হাতে পড়েছিল প্রথম স্লিপের। কিন্তু বাংলাদেশি ওপেনার সেটা ফেলে দিলেন। ৬৫ রানে ৬ উইকেট হারানো হলো না পাকিস্তানের। সে জন্য বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হলো আরও তিন ওভার।

এর আগে রাওয়ালপিন্ডিতে সবকিছু বাংলাদেশের পছন্দমতো এগিয়েছে। ২১ রানের লিড নিয়ে খেলতে নামা পাকিস্তান শুরু থেকে আগ্রাসী খেলতে গিয়েছে। আর তাতে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে বসেছে দলটি। পঞ্চম উইকেট যখন পড়ল, তখন পাকিস্তানের লিড মাত্র ৭৭।

দিনের শুরুটা হতাশ করছিল বাংলাদেশকে। দিনের প্রথম ৭ ওভারে ৩৮ রান তুলে ফেলেছিল পাকিস্তান। এরপরই সায়েম আইয়ুব নিজের মতো খেলতে গেলেন। এই সিরিজে প্রতিবারই অতি আগ্রাসন দেখিয়ে আউট হওয়া আইয়ুব আজও সেভাবে ফিরেছেন। তাসকিনকে চার মারতে গিয়ে ৩০ গজ পার করতে পারেননি। শান্তও ধরেছেন দারুণ এক ক্যাচ।

অন্যদিকে শান মাসুদও বেশি আগ্রাসন দেখাচ্ছিলেন। এবং টেস্টে এভাবে খেলাটা স্বভাবজাত আগ্রাসী ব্যাটসম্যান না হলে খুব বিপজ্জনক। নাহিদ রানার অনেক বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে উইকেটকিপারের কাছে ক্যাচ দেন পাকিস্তান অধিনায়ক। 

বাবর আজমও একই ভুল করেছেন। চতুর্থ স্টাম্পের বল খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন সাদমানের হাতে। পরের বলেই রিজওয়ানও সে কাজ করেছেন। কিন্তু এবার আর বল হাতে রাখতে পারেননি। ১৯তম ওভারের সে দুঃখ নাহিদ ভুলেছেন তাঁর পরের ওভারে।

২১তম ওভারের শেষ বলটা লিটনের হাতে বুঝিয়ে দিয়ে ২ রানেই ফিরেছেন সৌদ শাকিল। ৮১রানে ৬ উইকেট হারিয়েছে পাকিস্তান।