টি-টোয়েন্টিতে ভালো করতে দেশের উইকেটের পরিবর্তন চান শান্ত

ভারত সফরটা দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছে বাংলাদেশের। টেস্টে ধবল ধোলাইয়ের পর টি-টোয়েন্টিতেও একই গল্পের পুনরাবৃত্তি। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচের মতো গতকাল শনিবার হায়দরাবাদে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচেও রীতিমতো উড়ে গেছে বাংলাদেশ। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশি বোলারদের ওপর সুনামি বইয়ে দিয়ে ২৯৭ রানের পাহাড় গড়ে ভারত। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। শুধু টেস্ট খেলুড়ে দেশের পরিসংখ্যান বিবেচনায় নিলে এটাই সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।

ভারতের এমন বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনীতে ম্যাচের ফল নিয়ে বোধহয় কারও কোনো সন্দেহ ছিল না। শুধু দেখার বিষয় ছিল, বাংলাদেশ হারের ব্যবধান কতটা কমাতে পারে। রান তাড়ায় লিটন দাসের (২৫ বলে ৪২ রান ও তাওহীদ হৃদয়ের ৪২ বলে ৬৩ রানে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৪ রানে থামে সফরকারীদের ইনিংস। বাংলাদেশ ম্যাচটা হেরে যায় ১৩৩ রানে।

পুরো সিরিজে ভারতের কাছে নাকানিচুবানি খেয়েছে বাংলাদেশ। তবে এরপরেও আশা হারাচ্ছেন না নাজমুল হোসেন শান্ত। গতকাল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণীতে এসে বাংলাদেশ অধিনায়ক জানিয়েছেন, সামনে ভালো করতে হলে দেশের মাটির উইকেটসহ অনেক কিছুতে পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে।

ম্যাচ শেষে শান্ত বলেছেন, ‘আমরা আমাদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারিনি। আমার মনে হয়, আমরা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। কয়েকটা ম্যাচের কিছু ওভারে আমরা ভালো বোলিং করেছি, কিন্তু আজ (শনিবার) একদমই ভালো বোলিং করতে পারিনি।’

এরপরেও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় জানালেন শান্ত। এজন্য অনেক কিছুতে পরিবর্তন আনার কথা বললেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। শান্তর ভাষায়, ‘নিজেদের ওপর ওই বিশ্বাসটা রাখতে হবে যে, আমরা যেকোনো দলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অনেক কিছুতে পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে ঘরের মাঠের উইকেট পরিবর্তন করতে হবে। খেলোয়াড়দের আরও দায়িত্ব নিতে হবে।’

শান্ত যোগ করেন, ‘হৃদয় আজ খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। পেসাররা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছে। টপ অর্ডারে ব্যাটিংয়ে আরও উন্নতি করতে হবে।’