কী থেকে কী হলো বোঝার আগেই হেরে গেলেন শান্তরা

শারজার উইকেটে ২৩৬ রান ছোট লক্ষ্য না। এই উইকেটে এক মাস আগেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে ছেলেখেলা করেছেন আফগানিস্তানের স্পিনাররা। তবু বাংলাদেশের টপ অর্ডার দুর্দান্ত দৃঢ়তা দেখিয়ে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দলকে।

ইনিংসের ২০ ওভারেই এক শ পার বাংলাদেশের। ২ উইকেটে ১২০ রান হলো। অর্ধেকেরও কম লক্ষ্য বাকি ছিল তখন। উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান। ডাগআউটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিমের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। সে দল ১৪৩ রানে গুটিয়ে যাবে, এটা যে কল্পনাতীত।

এভাবেই কী থেকে কী হচ্ছে তা বুঝে ওঠার আগেই ৯২ রানে হেরে গেল বাংলাদেশ। আর মানসম্পন্ন বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটিং দক্ষতা আরও একবার হতাশ করল।

বাংলাদেশের স্পিনাররা যে উইকেটে কোনো উইকেটই পাননি, ২০ ওভারে দিওয়েছেন ৮৭ রান, সেখানে আফগান স্পিনাররা নিয়েছেন ৯ উইকেট। এর মধ্যে নতুন রহস্য স্পিনার আল্লাহ মোহাম্মদ গজনফর নিয়েছেন ৬টি। তাঁর বলে বোল্ড হয়ে তানজিদ হাসান তামিম প্রথমে পথ দেখান।

তবে ১২ রানে প্রথম উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে উঠেছিল বাংলাদেশ। সৌম্য সরকার ও শান্ত দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫৩ রান এনে দেন। ৪৫ বলে ৩৩ রান করা সৌম্য বিদায় নেন ওমরজাইয়ের বলে।  এরপর শান্ত ও মিরাজ ৫৫ রানের জুটি গড়েন।

মোহাম্মদ নবীকে সুইপ করতে গিয়ে ৪৭ রানে শান্ত বিদায় হওয়ার পর আফগানিস্তান দল যেন পুরো বদলে গেল। মাত্র ৫২ বল ও ২৩ রানের মধ্যে বাংলাদেশের ৮ উইকেট ফেলে দিল তারা। গজনফরকে সুইপ করতে গিয়ে প্রথমে ফিরলেন মিরাজ (২৮)। মাহমুদউল্লাহ ফিরলেন রশিদের বল বুঝতে না পেরে।

সাতে নামা মুশফিকও তাই। তবে তিনি বুঝতে পারেননি গজনফরের বল। রিশাদও এই রহস্য স্পিনারের রঙ ওয়ানে আউট। একটু পর তাসকিনও বিদায় নেওয়ার পর তাওহিদ হৃদয়ও তেড়েফুঁড়ে মারতে গেলেন রশিদকে, ফল বোল্ড। শেষ উইকেট জুটি ৪ রান করার পর গজনফর তাঁর ষষ্ঠ শিকার বুঝে নিয়েছেন। বাংলাদেশের পাঁচ ব্যাটসম্যান আজ বোল্ড হয়েছেন।