বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি শুরু করেছে ভারত। দুবাইয়ের উইকেটে স্পিনারদের প্রাধান্য থাকলেও ভারতের দুই পেসারই এগিয়ে ছিলেন উইকেট শিকারে। মোহাম্মদ শামি ১০ ওভারে ৫৩ রান দিয়ে পেয়েছেন ৫ উইকেট। আর হারসিত রানা ৭ ওভার ৪ বলেই নিয়েছেন ৩ উইকেট।
অর্থাৎ দুই পেসারই নিয়েছেন ৮ উইকেট। এর মধ্যে টপ অর্ডারের সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত যেমন আছেন, আছেন প্রতিরোধ গড়া জাকের আলী ও সেঞ্চুরিয়ান তাওহিদ হৃদয়ও। কিন্তু তবু পাকিস্তানের বিপক্ষে এই পেসারদের ওপর ভরসা রাখতে চান না সুনীল গাভাস্কার। আগামীকালের ম্যাচে এই দুই পেসারের একজনকে বসিয়ে রাখার পক্ষে সাবেক অধিনায়ক।
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন শামি। পরের ওভারেই শান্তকে ফেরান রানা। একটু পর মিরাজকেও ফিরিয়ে দিয়েছেন রানা। পাওয়ার প্লের মধ্যেই আরও দুই উইকেট নিয়ে অক্ষর প্যাটেল বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছেন একেবারে।
রেকর্ড ষষ্ঠ উইকেট জুটি ভেঙে পড়ে ম্যাচে পাঁচ উইকেটও পেয়েছেন শামি। দ্রুততম বোলার হিসেবে ওয়ানডেতে ২০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন এই পেসার। রানাও বেশ দারুণ বল করেছেন।
তবু ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী গাভাস্কারের উচিত পাকিস্তানের বিপক্ষে রহস্য স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীকে নামানো। স্পোর্টস টুডের সঙ্গে কথোপকথনে গাভাস্কার বলেছেন, দুবাইয়ে প্রথম ম্যাচে পেসাররা বেশি উইকেট পেলেও ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন স্পিনাররাই।
গাভাস্কার বলেছেন, উইকেট থেকে যেহেতু স্পিনাররাই বেশি সুবিধা পাচ্ছেন, ভারতের উচিত বরুণ চক্রবর্তীকেই খেলানো, ‘দুই দলের হয়েই উইকেট পেয়েছে পেসাররা। শামি ৫টা পেয়েছে, হারশিত রানা ৩টা পেয়েছে। পেসাররা উইকেট পেলেও, স্পিনাররাই ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছে, কঠোর লাইন লেংথে বল করেছে। আমার মনে হয় পাকিস্তান ম্যাচের জন্য বরুণ চক্রবর্তীকে বাড়তি স্পিনার হিসেবে চিন্তা করবে।’
গাভাস্কারের ধারণা, দ্বিতীয় পেসার হিসেবে হার্দিক পান্ডিয়ার কথা ভাবা যেতে পারে। তাহলে চাইলেই হারশিত রানাকে বসিয়ে বরুণকে নেওয়া যাবে।