তিনি হলে পাকিস্তানকে এক বছরেই দাঁড় করিয়ে দিতেন

২৯ বছর পর কোনো আইসিসির টুর্নামেন্টের আয়োজক হয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু স্বাগতিক হওয়ার আনন্দ পেয়েই শেষ হচ্ছে পাকিস্তানের এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিই। গ্রুপপর্বে প্রথম দুই ম্যাচে হেরে বসেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ানরা। চার দলের গ্রুপে চতুর্থ হওয়ার শঙ্কাও আছে।

রানরেটে বাংলাদেশের চেয়েও পিছিয়ে আছে পাকিস্তান। আগামীকাল ম্যাচের সময়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস আছে। টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের মাঠে এরই মধ্যে একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে বাতিল হয়েছে।

পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররা অবশ্য এসব নিয়ে ভাবছেন না। উত্তরসূরিরা তৃতীয় না চতুর্থ হতে যাচ্ছে, এ নিয়ে পড়ে না থেকে ব্যর্থতার জন্য বাবরদের তুলাধুনা করছেন ওয়াসিম আকরাম-শোয়েব আখতাররা।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির যুগে এই প্রথম কোনো স্বাগতিক দল গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ল। এতে ওয়াসিম আকরাম পাকিস্তানের বর্তমান দলকে আমেরিকা বা ওমানের সঙ্গে তুলনা করেছেন। শোয়েব আখতার বলেছেন টাকা পাচ্ছেন বলেই এই দল নিয়ে কথা বলছেন, না হলে তাঁর রুচি হতো না। বাবর আজমকে প্রতারক বলছেন তিনি। ওয়াকার ইউনূসও ধুঁয়ে দিয়েছেন তাদের।

যোগরাজ সিং। ছবি: টুইটার

তবে পাকিস্তানি সাবেক তিন পেসার যখন শাহিনদের ধুঁয়ে মুছে দিতে ব্যস্ত, তখন ভারতীয় সাবেক পেসার যোগরাজ সিং এগিয়ে এসেছেন সাহায্য করতে। যুবরাজ সিংয়ের বাবা এভাবে সমালোচনা করার জন্য আকরাম-শোয়েবদের ওপর প্রচণ্ড বিরক্ত হয়েছেন।

যোগরাজ বলেছেন, এত বকবক না করে, নিজের দেশকে সাহায্য করতে। কারণ তিনি হলে এক বছরের মধ্যে পাকিস্তানের চেহারা বদলে যেত, ‘ধারাভাষ্য দিয়ে টাকা পাচ্ছে ওয়াসিম। নিজের দেশে যাও, এসব খেলোয়াড়ের জন্য একটা ক্যাম্পের আয়োজন কর। তোমাদের মধ্যে কোনজন পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ জেতানোর চেষ্টা করতে চাও, সেটা দেখতে চাই আমি। অথবা সে চেষ্টায় ব্যর্থ হলে তখন রিজাইন কর। আমি গেলে, এক বছরের মধ্যে ওদের দাঁড় করিয়ে দিতাম এবং তোমরা সবাই সেটা মনে রাখতে।’

যোগরাজ নিউজ এইটিনকে বলেছেন, পাকিস্তানি সাবেকরা শুধু মুখেই দেশের প্রতি ভালোবাসা দেখান, ‘এটা সম্পূর্ণ আবেগের ব্যাপার। আমি এখানে (নিজের একাডেমি) দিনের ১২ ঘণ্টা কাটাই। নিজের দেশের জন্য রক্ত দিতে হয়, ঘাম ঝড়াতে হয়।’

ভারতের হয়ে একটি টেস্ট ও ছয়টি ওয়ানডে খেলা যোগরাজের অধীনেই অর্জুন টেন্ডুলকার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।