গতকাল সোমবার খেলতে গিয়ে আচমকা হার্ট-অ্যাটাকের শিকার হন তামিম ইকবাল। জাতীয় দলের সাবেক বাঁহাতি ওপেনারকে তাৎক্ষণিক গাজীপুরের কেপিজে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তামিমের হার্টে ব্লক ধরা পড়ে এবং রিং পরানো হয়। তামিমে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার কথা জানিয়েছিল কেপিজে কর্তৃপক্ষ।
আজ তামিমের শারীরিক অবস্থার আপডেট হওয়া হয়েছে। দুপুরে হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কেপিজের পরিচালক ডা. রাজিব হাসান জানিয়েছেন, তামিম সুস্থ আছেন। এখন তিন দিন পর্যবেক্ষণে রাখার পর পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তামিমকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তবে তামিমকে এখনই বেশি চলাচল না করার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক আব্দুল ওয়াদুদ।
তামিমের অবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে রাজিব হাসান বলেছেন, ‘গতকাল আপনাদের বলেছিলাম, একটা ক্রিটিক্যাল পিরিয়ড যাচ্ছে আমাদের সবার প্রিয় তামিম ভাইয়ের। পুরোপুরি না করছি না, তবে একেবারে এক্সট্রিম ক্রিটিক্যাল যে পিরিয়ডটা ছিল, আল্লাহর রহমতে সেটা আমরা ওভারকাম করে এসেছি। উনি সুস্থ আছেন। খাওয়া দাওয়া করছেন। কথা বলেছেন। উনার পরিবারের সাথে কথা বলেছেন। স্যারদের সাথে কথা বলেছেন। আপনাদের সবার দোয়ায় এবং আল্লাহর রহমতে উনি আমাদের মধ্যে ভালোভাবে আছেন।’
তামিম কবে হাসপাতাল ছাড়তে পারবে, সে প্রসঙ্গে কেপিজের এ পরিচালক বলেছেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আমরা সুস্থভাবে এখান থেকে ডিসচার্জ করতে পারব। ডিসচার্জ কখন কীভাবে হবে, সেটা ওনাদের পারিবারিক সিদ্ধান্ত। স্যাররা সবকিছু উনাদের এক্সপ্লেইন করেছেন। আমরাও করেছি। তারপরও ওনাদের পারিবারিক সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ওনারা যেভাবে আমাদের বলবেন, সেভাবেই ওনাদের সহযোগিতা করব।’
তামিমের যে পর্যবেক্ষণ সময় দেওয়া হয়েছে, এই সময়ের আগে তাঁকে অন্য কোথাও না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ। এই মুহূর্তে মুভমেন্ট করা কতটা বিপজ্জনক, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘রিস্কটা কিন্তু কম। ১ শতাংশেরও কম। কিন্তু যদি ঘটে যায়, ওই রোগীর জন্য ১০০ শতাংশ। তামিম কিন্তু তামিমই। ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা তার এখানে থাকা উচিত। তারপর সে মুভ করবে।’