বারবার বেলতলায় গিয়ে বোঝাচ্ছেন, তিনি ন্যাড়া নন!

স্লো ওভাররেট আর হার্দিক পান্ডিয়া- দুটো যেন একে অন্যের সমার্থক হয়ে যাচ্ছে! গত আইপিএলে ভারতীয় এ অলরাউন্ডারের অধীনে তিনটি ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে বোলিং শেষ করতে পারেনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান। তাতে আর্থিক দণ্ডের পাশাপাশি এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা জোটে পান্ডিয়া কপালে। তবে সে তিন স্লো ওভার রেটের শেষ ম্যাচটি ছিল প্লে-অফে মুম্বাইয়ের বাদ পড়ার ম্যাচে। সে কারণে পান্ডিয়ার নিষেধাজ্ঞা চলে আসে চলতি মৌসুমে। আর পান্ডিয়াবিহীন প্রথম ম্যাচে মুম্বাইও সুবিধা করতে পারেনি। চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হেরে যায় ৪ উইকেটে।  

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে গতকাল মাঠে নেমেছিলেন পান্ডিয়া। কিন্তু গুজরাট টাইটানসের বিপক্ষে প্রত্যাবর্তনটা সুখকর ছিল না ৩১ বছর বয়সী এ অলরাউন্ডারের। বল হাতে ২৯ রানে ২ উইকেট নিলেও রান তাড়ায় দলের প্রয়োজনের সময় ব্যর্থ হয়েছেন। আউট হয়েছেন ১৭ বলে মাত্র ১১ রান করে। গুজরাটের ১৯৬ রানের জবাবে মুম্বাইও আটকে গেছে ১৬০ রানে।

এখানেই শেষ নয়। পান্ডিয়ার কপালে আবারও স্লো ওভার রেটের শাস্তি জুটেছে। পান্ডিয়া যেন বারবার বেলতলায় গিয়ে প্রমাণ করছেন, তিনি ন্যাড়া নন!

গতকালও মুম্বাই নির্ধারিত সময়ে বোলিং শেষ করতে পারেনি। আর শাস্তি হিসেবে পান্ডিয়াকে ১২ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে। আইপিএলের কোড অব কন্ডাক্টের ২.২ ধারায় এ শাস্তির কথা উল্লেখ আছে।

এ প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে আইপিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘চলতি মৌসুমে এটি তার দলের প্রথম অপরাধ হওয়ায়, আইপিএলের কোড অফ কন্ডাক্টের ২.২ ধারা অনুযায়ী তাকে ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

তাতে এ মৌসুমে স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানার শিকার হওয়া প্রথম অধিনায়ক বনে যান পান্ডিয়া! তবে এবার স্লো ওভাররেটের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম এনেছে আইপিএল।

আগে যেমন তিন ম্যাচ নির্ধারিত সময়ে বোলিং শেষ করলে নিষেধাজ্ঞা পেত সেই দলের অধিনায়ক। এবার সে নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে ডিমেরিট পয়েন্ট পয়েন্ট চালু করা হয়েছে। সঙ্গে আর্থিক জরিমানা তো থাকছেই। প্রথমবার ভুলের জন্য অধিনায়কের পাশে যুক্ত হবে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট। আর এ ডিমেরিট পয়েন্টের মেয়াদ হবে ৩৬ মাস পর্যন্ত!