জানুয়ারিতে পাকিস্তান সফরের সময়ই ক্রেইগ ব্রাথওয়েইট জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি আর টেস্টে অধিনায়ক থাকতে চান না। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্র শুরু হচ্ছে, তার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাতে নতুন অধিনায়কের অধীনে পালাবদলটা ভালোভাবে সেরে নেওয়ার সময় পায়, সে জন্যই আগেভাগে জানিয়ে দেওয়া। শেষ পর্যন্ত ব্রাথওয়েইটের পদত্যাগ আজ আনুষ্ঠানিকতা পেল।
তবে ব্রাথওয়েইটের জায়গায় এখনো কাউকে নিয়োগ দেয়নি ওয়েস্ট। সেখানে পদটা খালি পড়ে আছে। ওদিকে টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্বেও আজ বদল এনেছে উইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড। রভম্যান পাওয়েলকে টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওয়ানডে অধিনায়ক শাই হোপকেই একসঙ্গে দুটি পদ দেওয়া হয়েছে, এখন থেকে ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব দুটিই সামলাবেন হোপ।
টেস্ট দলের অধিনায়ক কে হবেন, সেটি ‘আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই’ ঠিক করে ফেলা হবে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অবশ্য টেস্ট অধিনায়কত্ব নিয়ে আপাতত নির্ভারই থাকতে পারছে তারা, নতুন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্র যে শুরু হবে জুনে! অস্ট্রেলিয়া তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাবে।
ব্যক্তিগতভাবে ১০০ টেস্টের মাইলফলক থেকে আর দুই টেস্টের দূরত্বে দাঁড়িয়ে থাকা ব্রাথওয়েইট এখন শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলতে চান। ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্টে নেতৃত্ব দিলেও আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট অধিনায়কের দায়িত্বটা ব্রাথওয়েইট পেয়েছেন ২০২১ সালে এসে। তাঁর অধীনে ৩৯ টেস্টের মধ্যে উইন্ডিজ জিতেছে ১০টি, হেরেছে ২২টিতে।
এদিকে শাই হোপকে যে সাদা বলের দুই ফরম্যাটেই অধিনায়ক করা হলো, সেটি কোচ ড্যারেন স্যামির পরামর্শেই হয়েছে বলে জানিয়েছেন উইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের ক্রিকেট পরিচালক মাইলস বাসকম্ব। রভম্যান পাওয়েলও টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তটা পেশাদারত্বের সঙ্গে দারুণভাবে মেনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ২০২৩ সালের মে মাসে দায়িত্ব পাওয়ার পর উইন্ডিজ টি-টোয়েন্টি দলকে ঘরের মাঠে ভারত, ইংল্যান্ড ও সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ জিতিয়েছেন পাওয়েল।