চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানো হলো, তাঁকে দিয়ে আর হচ্ছে না

গতকাল আইপিএলে এমন কিছু ঘটেছে যা এর আগে মাত্র তিনবার দেখা গেছে। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে ২০৪ রানের লক্ষ্যে নামা মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের শেষ ৭ বলে ২৪ রান দরকার ছিল। এমন অবস্থায় ক্রিজে থাকা সেট ব্যাটসম্যান তিলক ভার্মাকে রিটায়ার আউট করে দেয় মুম্বাই। 

২৫ রানে থাকা ভার্মার বদলে নামেন মিচেল স্যান্টনার। কিন্তু এতেও কাজ হয়নি, ১২ রানে হেরে গেছে মুম্বাই। তবে ভার্মাকে আউট করার সিদ্ধান্তে অটল আছেন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া ও কোচ মাহেলা জয়াবর্ধনে।

দলের প্রয়োজন অনুযায়ী রানের গতি না বাড়াতে পারায় এর আগে আইপিএলে তিন ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নে ফেরত নিয়েছিল তাঁর দল। ২০২২ আইপিএলে এ কাণ্ড প্রথম দেখা যায় রবিচন্দ্রন আশউইনের  বেলায়। ২০২৩ সালে অথর্ভ তাইদে ও সাই সুদর্শনকেও এই লজ্জায় পড়তে হয়েছিল।

গতকাল তিলক ভার্মার ইনিংসও দলকে ভোগাচ্ছিল বেশ। নবম ওভারে যখন নেমেছিলেন, তখন প্রয়োজনের বেশি ভালো রানরেট ছিল মুম্বাইয়ের। অন্যপ্রান্তে সুরিয়াকুমার যাদব ৪৩ বলে ৬৭ রানের ইনিংসে সে গতি ধরে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও তিলকের কারণে বারবার পিছিয়ে যাচ্ছিল মুম্বাই। ২৩ বলে মাত্র ২ চারে ২৫ রানে ছিলেন তিলক। কোনোমতেই টাইমিং হচ্ছিল না তাঁর।

পরে ৭ বল বাকি থাকতে তাঁকে উঠিয়ে নেওয়া হয়। বদলি নামা স্যান্টনারও আহামরি কিছু করেননি। ২ বলে নিয়েছেন ২ রান। শেষ ওভারে স্ট্রাইকে থাকা হার্দিক পান্ডিয়া ১৬ বলে ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। ম্যাচ শেষে পান্ডিয়া বলেছেন, ‘এটা তো বোঝাই যায়, আমাদের কিছু বাউন্ডারি দরকার ছিল। ক্রিকেটে মাঝেমাঝে এমন দিন আসে, যখন আপনি যতই চেষ্টা করুন, শট বের হয় না।’ 

গত ২৯ মার্চ গুজরাট টাইটানসের বিপক্ষেও একই অবস্থা হয়েছিল তিলকের। ১৯৭ তাড়া করতে নেমে ৩৬ বলে ৩৯ রান করেছিলেন তিলক। কোচ জয়াবর্ধনে তাই বলেছেন, ‘উইকেট পড়ে যাওয়ার পর এবং সুরিয়ার সঙ্গে তিলক ভালো ব্যাট করেছে। এরপর সে রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেও পারেনি। আমি অপেক্ষা করেছি কিছুক্ষণ, আশা করেছি; কারণ উইকেটে বেশ কিছু সময় কাটিয়েছে, ফলে ওর কয়েকটি বাউন্ডারি পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনে হয়েছে চনমনে কাউকে দরকার কারণ ও একদমই পারছিল না।’