শান্ত পারলেন না ৯ বছরের রেকর্ড টিকিয়ে রাখতে

আবাহনী-মোহামেডানের হাইভোল্টেজ ম্যাচে আজ শুরুতেই রঙ ছড়িয়েছেন মোহামেডানের ব্যাটসম্যান আনিসুল ইসলাম ইমন। ডানহাতি এই ওপেনারের সেঞ্চুরিতে আবাহনীকে ২৬৫ রানের লক্ষ্য দেয় মোহামেডান। ডিপিএলে শীর্ষে থাকা আবাহনী লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে ভালোই জবাব দিচ্ছিল।

২৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১২০ রান তোলা আবাহনীকে মাঝ ওভারে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল অধিনায়ক শান্ত। তবে পেসার এবাদত হোসেন ও সাইফ উদ্দিনের বোলিং তোপে আবাহনী মাত্র ২২৫ রানেই গুটিয়ে যায়। ৩৯ রানে ম্যাচ জিতে মেহেদী হাসান মিরাজরা। এই জয়ে ডিপিএলের ওয়ানডে সংস্করণে আবাহনীর বিপক্ষে ৯ বছর পর জয়ের দেখা পেল মোহামেডান। 

মিরপুরে জয়ের জন্য ২৬৪ রান তাড়ায় আবাহনীকে ভালো শুরু এনে দিতে পারেননি পারভেজ হোসেন ইমন ও জিসান আলম। দলীয় ৩১ রানে ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারের ভেতরেই ড্রেসিংরুমে ফিরে যান দুই ওপেনার। তৃতীয় উইকেটে ক্রিজে এসে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মোহাম্মদ মিঠুন। 

পাওয়ার প্লের পর ১১তম ওভারে দলীয় ৫৯ রানেই মিঠুন মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ব্যক্তিগত ১৯ রান করে বোল্ড হয়ে ফেরেন। এরপর চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন মুমিনুল হক ও নাজমুল শান্ত। এ দুজনে মিলে দলীয় এক শ রান করেন। নিজের ফিফটির দেখাও পেয়ে যান শান্ত। তবে ইনিংসের ২৪তম ওভারে ব্যক্তিগত ২৫ রানে মুমিনুল ফিরে গেলে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে আবাহনী। 

নাজমুল হোসেন শান্ত কেবল এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে ব্যাটসম্যানদের আসা যাওয়া দেখেছেন। মাহফুজ রাব্বি- মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত কেউই ক্রিজে এসে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মাঝে শান্তও (৮০ রান) ফিরে যান ৪১তম ওভারে। ততক্ষণে আবাহনীর হার নিশ্চিত। স্কোরবোর্ডে ১৯০ রানে ৭ উইকেট। 

শেষ পর্যন্ত ২২৫ রানে অলআউট হয়ে যায় আবাহনী। মোহামেডানের হয়ে ৩৬ রানে ৪ উইকেট নেন এবাদত হোসেন।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার আনিসুল ইসলাম ইমনের ১১৪ রানের ইনিংসে ২৬৪ রানের সংগ্রহ পায় মোহামেডান। এই জয়ে ১১ ম্যাচে ৯ জয়ে মোহামেডানের পয়েন্ট ১৮। অপরদিকে হারলেও সমান পয়েন্ট নিয়ে ৯ জয়ে রান রেটে এগিয়ে থেকে সবার শীর্ষে আছে আবাহনী।