তাওহীদ হৃদয় ও নিষেধাজ্ঞা যেন একে অপরের পরিপূরক হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিষেধাজ্ঞা দেয়া, এক ম্যাচ কমানো, আবার নিষেধাজ্ঞা দেয়া ও পরবর্তীতে এক বছর নিষেধাজ্ঞা পিছিয়ে দেয়ার মতো নাটকীয়তা শেষেও কপাল পুড়েছে মোহামেডানের অধিনায়কের।
আজ গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে বিরক্তি প্রকাশ করায় আবার নিষিদ্ধ হয়েছেন হৃদয়। তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়ায় আবাহনীর বিপক্ষে সুপার লিগের শেষ ম্যাচে খেলতে পারবেন না এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেটের কয়েকটি ইস্যুতে বিসিবিতে তামিম ইকবালসহ একাধিক ক্রিকেটার বোর্ড সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। এর কিছুক্ষণ পরেই বিসিবি বিবৃতিতে জানায়, হৃদয়ের শাস্তি ১২ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ফলে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে খেলতে আর বাধা ছিল না তাঁর।
তবে গতকাল তামিমদের বৈঠকের পর হৃদয়ের শাস্তি এক বছর পেছালেও আজ ফের অসদাচরণের কারণে নিষিদ্ধ হয়েছেন মোহামেডান অধিনায়ক।
গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে বিরক্তি প্রকাশ করেন হৃদয়। ফলে ম্যাচ শেষে আম্পায়ারদের রিপোর্টের ভিত্তিতে ম্যাচ রেফারি শাস্তি প্রদান করেন। যেখানে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট পান হৃদয় ও ১০ হাজার টাকা জরিমানাও গুনতে হয়েছে।
ফের একটি ডিমেরিট পয়েন্ট পাওয়ায় হৃদয়ের নামের পাশে মোট ডিমেরিটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮টি। এ কারণে ৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়েছেন তিনি।
আজ মিরপুরে গাজী গ্রুপের বিপক্ষে ওয়াসি সিদ্দিকীর বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন হৃদয়। তবে ৫৪ বলে ৩৭ রানের ইনিংস খেলা মোহামেডান অধিনায়ক আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে খুব বেশি সন্তুষ্ট হতে পারছিলেন না।
মাঠ ছাড়ার আগে বেশ কিছুক্ষণ উইকেটে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় তাকে। হৃদয়ের এমন ব্যবহারের কারণে আম্পায়ারদের অভিযোগের ভিত্তিতে ম্যাচ রেফারি শাস্তি দেন তাঁকে। এই ঘটনায় হৃদয়কে শুনানিতে ডাকা হলেও তিনি আসেননি। লেভেল-১ শাস্তি হওয়ায় এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই হৃদয়ের।