তখনো আফিফ হোসেন আর তাওহীদ হৃদয় ক্রিজে। দুজনই ক্রিজে সেটও হয়ে গিয়েছিলেন ততক্ষণে – হৃদয়ের রান ছিল ৩৫ বলে ২৪, আফিফ ব্যাট করছিলেন ৪৩ বলে ২১ রানে।
তখনো হাতে ৬ উইকেট বাংলাদেশের।
তখনো দশটা ওভার বাকি ছিল ইনিংসে। ৪০ ওভারে বাংলাদেশের রান ছিল ৪ উইকেটে ১৮১, বাকি ৬০ বলে দরকার ছিল ৬৮ রান।
সমীকরণটা তখনো সহজই ছিল। মিরপুরের পিচ খুব যে কঠিন হয়ে পড়েছিল ব্যাটিংয়ের জন্য, এমন তো নয়! রান-বলের সমীকরণ এ যুগের তো বটেই, একবিংশ শতাব্দীর আগের যুগের ওয়ানডের হিসাবেও ছিল ‘অ্যাচিভেবল।’
কিন্তু অ্যাচিভ করতে হলে কেউ একজনকে তো ক্রিজে দাপট দেখাতে হবে! সেই ফিনিশারই খুঁজে পেল না বাংলাদেশ। বরং ‘ফিনিশড’ হয়ে গেল বাংলাদেশের ইনিংসই!
হৃদয় টিকে ছিলেন বটে, কিন্তু তিনি অন্য প্রান্ত থেকে সাহায্য আর পেলেন না। শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত ফিফটির পর ব্যক্তিজীবনে চল্লিশের পর চালশে ধরার কথা শোনা যায়, চোখের দৃষ্টিতে সমস্যা হয় তখন। বাংলাদেশের ইনিংসে আজ ৪০তম ওভারের পর যেন চালশে ধরেছে। ঝাপসা দৃষ্টিতে ব্যাটিংয়ের মতো, একের পর এক উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন ব্যাটসম্যানরা।
ফল? ৬ উইকেট হাতে নিয়ে ৬০ বলে ৬৮ রানের সমীকরণে ৪০তম ওভার শেষ করা বাংলাদেশ এর পরের ৮.২ ওভারের মধ্যে বাকি ৬ উইকেটের সবই হারিয়েছে মাত্র ৪০ রানে। শেষ পর্যন্ত ২২১ রানে অলআউট হয়ে মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ হেরে গেল ২৬ রানে। লিখল তীরে গিয়ে তরী ডোবানোর গল্প।



