কোহলিদের ছাদখোলা বাসে উদযাপনের অনুমতি দেয়নি পুলিশ, ক্ষুব্ধ সমর্থকরা

দীর্ঘ ১৮ বছরের স্বপ্ন অবশেষে গতকাল রাতে পূরণ হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু সমর্থকদের। আহমেদবাদে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ রান হারিয়ে বিরাট কোহলিরা তাঁদের অধরা আইপিএল শিরোপা নিজেদের করেছে।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর কোহলি ম্যাচ শেষে সম্প্রচারকারীদের জানিয়েছিলেন প্রকৃত উদযাপন বেঙ্গালুরুতে সমর্থকদের সঙ্গে নিয়েই হবে।

কাল রাতেই জানা গিয়েছিল আজ বিকেলে বেঙ্গালুরুতে ছাদখোলা বাসে ট্রফি প্যারেড করবে। যেখানে রাস্তার পাশে সমর্থকরা কোহলিদের অভিবাদন জানাবেন। তবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু সমর্থকদের সেই আশায় পানি ঢেলে দিয়েছে পুলিশ। কোহলিদের ছাদখোলা বাসে উদযাপনের অনুমতি দেয়নি বেঙ্গালুরু পুলিশ।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিকেল ৫টা থেকে ভিক্টরি প্যারেড হওয়ার কথা ছিল। কর্নাটকের বিধান সৌধ থেকে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম পর্যন্ত সেই প্যারেড যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ট্রাফিক ব্যবস্থার দোহাই দিয়ে বেঙ্গালুরুর পুলিশ আরসিবিকে বিজয় প্যারেডের অনুমতি দেয়নি।

বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনারের অফিস থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিজয় প্যারেড হচ্ছে না। বিকেল ৫টা থেকে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। এই ইভেন্টে শুধুমাত্র টিকিট থাকা ব্যক্তিরা অংশ নিতে পারবে।

বেঙ্গালুরুর পুলিশের এমন কান্ড ভালোভাবে নেয়নি সমর্থকরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের ক্ষোভের জানান দিচ্ছে ভক্তরা। করাহ আব্রাহাম নামের একজন এক্স-এ (সাবেক) এক টুইটে লিখেছেন, ‘কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত সমর্থকদের কাছ থেকে অনেক কিছু ছিনিয়ে নিয়েছে। যদি কেউ এই উদযাপন পালন করার যোগ্য হয়ে থাকে তাহলে এটি এই শহরের মানুষেরা যারা ১৮ বছর অপেক্ষা করছিল।’

এমন সিদ্ধান্তে সমর্থকরা শুধু ক্ষুব্ধ হননি। লোকসভার বিজেপি এমপি পিসি মোহনও কর্ণাটক সরকারকে এক হাত নিয়েছে। নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে এক টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘আরসিবি সমর্থকরা ১৮ বছর ধরে এই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করেছিল, আর কোনও বিজয় প্যারেড হয়নি? ট্র্যাফিকের সমস্যা বাস্তব হলেও, কর্ণাটক সরকারের কাছে আরও ভালো পরিকল্পনা করার জন্য যথেষ্ট সময় ছিল। উদযাপনকে অস্বস্তি মনে করা ঠিক নয়। বিশেষ করে বেঙ্গালুরুতে, এটি একটি উৎসবের মতো অনুভব হওয়া উচিত।’