গতবছর গ্লোবাল সুপার লিগের (জিএসএল) প্রথম মৌসুমে শিরোপা জিতেছিল রংপুর রাইডার্স। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় মৌসুমেও ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে এবার আরে পেরে ওঠেনটি নুরুল হাসান সোহান-সৌম্য সরকাররা।
গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে আজ সকালের ফাইনালে স্বাগতিক গায়ানা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৩২ রানে হেরে রানার্স আপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে রংপুরকে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৬ রান তোলে গায়ানা। জবাবে ১৬৪ রানে গুটিয়ে যায় রংপুর। এতে প্রথমবারের মতো জিএসএলের শিরোপা ঘরে তোলে গায়ানা।
অবশ্য রান তাড়ায় রংপুরের শুরুটা হয়েছিল দুঃস্বপ্নের মতো। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই রান আউট হন ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান (৫)। আরেক ওপেনার সৌম্য সরকারও সুবিধা করতে পারেননি। খোলস ছেড়ে বের হওয়ার আগেই ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসের বলে গুড়াকেশ মোতির হাতে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেছেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান (১৩)।
তিনে নামা কাইল মেয়ার্স ১০ বলে ৫ রান করে যখন বোল্ড হলেন, রংপুরের স্কোরবোর্ডে ৩ উইকেট ২৯ রান। সাইফ হাসান-ইফতেখার আহমেদের চতুর্থ উইকেট জুটিতে এ ধাক্কা কাটিয়ে ওঠে রংপুর। দুজনে মিলে ৪৪ বলে ৭৩ রান যোগ করেন স্কোরবোর্ডে।
তবে দলকে ১০২ রানে রেখে রান আউট হন ২৬ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৪১ রান করা সাইফ। সেখান থেকেই রংপুরের আবারও বিপদের শুরু। একটু পরে প্রিটোরিয়াসের বলে এলবিডব্লিউ হলেন আরেক সেট ব্যাটসম্যান ইফতেখার (২৯ বলে ৪৬ রান)।
আজমতউল্লাহ ওমরজাই (৩), নুরুল হাসান সোহান (৫) ও খালেদ আহমেদরা (০) থিতুই হতে পারেননি। শেষ দিকে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ১৭ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় ৩০ রানের ক্যামিও শুধু রংপুরের পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে।
রংপুরকে আটকে দেওয়ার পথে বল হাতে বড় ভূমিকা রেখেছেন ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। ডানহাতি এ পেসার ৩৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া ইমরান তাহির ও মোতি ২টি করে এবং মঈন আলী একটি উইকেট পেয়েছেন।
এর আগে আগে ব্যাটিং করা গায়ানাকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ওপেনার জনসন চার্লস (৪৮ বলে ৬৭)। এছাড়া রহমানউল্লাহ গুরবাজের ৩৮ বলে ৬৬ এবং শেষদিকে রোমারিও শেইফার্ডের ৯ বলে ২৮ রানের ক্যামিওতে দুই শ ছুঁইছুঁই সংগ্রহ পায় গায়ানা।
রংপুরের হয়ে খালেদ, তাবরাইজ শামসি ও ইফতেখার একটি করে উইকেট পেয়েছেন।