ঘরের মাঠে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ আগেই নিশ্চিত করেছিল সাউথ আফ্রিকা। এরপরও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে আত্মবিশ্বাসে চিড় না ধরাতে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে জয় হতে পারত বড় নিয়ামক।
কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে পারেনি সাউথ আফ্রিকা। উইন্ডিজের চেয়ে বেশি রান করেও ম্যাচটা হেরে গেছে প্রোটিয়ারা! তাতে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়ে ব্যবধান কমিয়ে (২-১) সিরিজ শেষ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
জোহানেসবার্গে গতকাল শনিবার বজ্রপাত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ১০ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে ৩ উইকেটে ১১৪ রান তুলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে পুরো ১০ ওভার ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ১১৮ রান সংগ্রহ করলেও ডিএলএস মেথডে ৬ রানের হার সঙ্গী হয় সাউথ আফ্রিকার।
তা সমান ওভারের ইনিংসে বেশি রান করেও সাউথ আফ্রিকা কীভাবে হারল? মূলত শুরুতে ম্যাচটা ১০ ওভারে নেমে আসেনি। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টার বেশি সময় পর ম্যাচ যখন শুরু হলো, তখন ইনিংসের দৈর্ঘ্য কমে দাঁড়ায় ১৬ ওভারে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসের ৬ ওভার যেতেই আবারও বজ্রপাত শুরু হয় জোহানেসবার্গে।
ম্যাচ আবারও প্রায় ঘণ্টার জন্য বন্ধ হয়ে যায়। উইন্ডিজের স্কোরবোর্ডে তখন ১ উইকেটে ৬৬ রান। ঘণ্টা খানেক থেমে থাকার পর পুনরায় খেলা শুরু হলে ইনিংসের দৈর্ঘ্য আরও কমে ১০ ওভারে নেমে আসে। তাতে শেষ ৪ ওভারে ৪৮ রান তুলে উইন্ডিজের স্কোরবোর্ডে ১১৪ রান হলেও প্রোটিয়াদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৫ রানের। সে কারণেই জবাবে ১১৮ রান তুললেও হেরে গেছে সাউথ আফ্রিকা।
উইন্ডিজের পক্ষে শাই হোপ (২৫ বল) ও শিমরন হেটমায়ার (২২ বল*)- দুজনেই ৪৮ রানের ইনিংস খেলেছেন। এছাড়া শেষদিকে রোভমান পাওয়েল ৭ বলে ১৩ রানের ক্যামিও দিয়েছেন।
রান তাড়ায় শুরুটা দুর্দান্ত হয়েছিল সাউথ আফ্রিকার। জেসন হোল্ডারের প্রথম ওভারেই ১৯ রান নেন ডি কক। তবে পরের ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে সাউথ আফ্রিকাকে চাপে ফেলার চেষ্টা করেন আকিল হোসেন। পাশাপাশি মার্করামকেও (২) ড্রেসিংরুমের পথ ধরান।
নিয়মিত উইকেট গেলেও ব্যাটসম্যানদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ম্যাচে টিকে থাকে সাউথ আফ্রিকা। শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রোটিয়াদের দরকার ছিল ১৬ রান। শামার জোসেফ ওই ওভারে ৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়ে উইন্ডিজকে জয়ের আনন্দে ভাসান।