জিম্বাবুয়ের পর ভারতে আটকা উইন্ডিজ

যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে, ভারতে সেটার ধকল পোহাচ্ছে দল দুটি

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়েই অস্থিরতা বিরাজ করছে। স্বাভাবিকভাবেই এর প্রভাব পড়েছে আকাশপথের যোগাযোগ ব্যবস্থায়। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে নিরাপত্তা শঙ্কায়। এতে বিশ্বের ব্যস্ততম ট্রানজিট হাবগুলোর কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে।

আর এমন বিপর্যয়কর পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। একদিন আগে জানা গিয়েছিল, বিশ্বকাপ মিশন শেষ হলেও দেশে যেতে পারছেন না জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররা। এবার নতুন খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। জিম্বাবুয়ের মতো নিজ দেশে ফিরতে পারছেন না ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটাররাও।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জিম্বাবুয়ের মতো দুবাই হয়ে দেশে ফেরার কথা ছিল উইন্ডিজের। কিন্তু চলমান যুদ্ধের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে। এতে দেশটির আকাশপথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। আর সে কারণেই বিশ্বকাপ শেষ হলেও দেশে ফেরার ভ্রমণ পরিকল্পনা ব্যাহত হয়েছে দল দুটির।

ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডাব্লিউআই) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, খেলোয়াড় ও স্টাফদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে আইসিসির সঙ্গে বিশেষভাবে কাজ করছে তারা। এ প্রসঙ্গে সিডাব্লিউআইয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’

বর্তমান পরিস্থিতি স্বীকার করে এর আগে আইসিসি জানায়, দুবাই হয়ে যাঁদের নিজ নিজ দেশে ফেরার কথা ছিল, তাঁদের জন্য বিকল্প পরিকল্পনা (কনটিনজেন্সি প্ল্যান) চালু করা হয়েছে।

আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট টুর্নামেন্ট পরিচালনায় সরাসরি কোনো প্রভাব ফেলছে না। তবে আইসিসি স্বীকার করছে, বিপুলসংখ্যক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি—খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট, ম্যাচ কর্মকর্তা, সম্প্রচার দল ও ইভেন্ট স্টাফ—নিজ নিজ দেশে ফেরার পথে উপসাগরীয় হাব বিমানবন্দর, বিশেষ করে দুবাইয়ের (ডিএক্সবি) ওপর নির্ভরশীল।’

এদিকে গতকাল জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট জানিয়েছে, তাদের খেলোয়াড় ও স্টাফরা দিল্লিতে নিরাপদে আছেন এবং বিকল্প ভ্রমণ ব্যবস্থার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা কাজ করছেন। দলটি রোববার বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলেছিল এবং সোমবার দুবাই হয়ে হারারে ফেরার কথা ছিল।