তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট পাকিস্তানকে পাত্তাই দেয়নি ইংল্যান্ড। হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানের জয় তুলে নিয়েছে ইংলিশরা। তবে লর্ডসে শুরু হতে যাওয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের আগে বড় ঝামেলায় পড়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। আর সেই ঝামেলার কারণে দ্বিতীয় টেস্টের দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে পেসার ব্রাইডন কার্সকে।
মূলত ডার্বির একটি নাইটক্লাবে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে স্বাধীন ক্রিকেট সংস্থা ক্রিকেট রেগুলেটর। আর সেই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কার্সকে দলে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
এর আগে গত শনিবার রাতে ডার্বির একটি নাইট ক্লাবের বাইরে কার্সকে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখা যায়। এরপরই ইসিবি বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। আর এ ঘটনায় কার্সের পরিবর্তে ইংল্যান্ড স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন সনি বেকার।
ডার্বির ওই নাইট ক্লাবে ঠিক কী ঘটেছিল, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি ইসিবি। মূলত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের একাদশে সুযোগ না পাওয়ায় শোয়েব বশির, স্যাম কুক, ম্যাথু ফিশার ও অলি পোপের সঙ্গে কার্সকেও কাউন্টিতে খেলার জন্য ছেড়ে দিয়েছিল ইসিবি।
এদিকে গত শনিবার কাউন্টিতে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে জয়ের পর ডারহামের হয়ে উদযাপনে দেখা যায় তাঁকে। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, চার পুলিশ সদস্য হাতকড়া পরা অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছেন কার্সকে।
নাইটক্লাব কাণ্ডে ইংলিশ ক্রিকেটারদের জড়িত থাকার ঘটনা এবারই প্রথম নয়, এর আগে গ্রীষ্মের শুরুতে প্রায় একই ধরনের একটি নাইটক্লাব ঘটনার তদন্ত চলার সময় তৎকালীন অধিনায়ক বেন স্টোকস ও পেসার গাস অ্যাটকিনসনকেও দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
কার্সের ঘটনায় এক বিবৃতিতে ইসিবি উল্লেখ করেছে, ‘এই তদন্ত চলাকালীন এবং ঘটনার পুরো বিষয়টি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত ব্রাইডন কার্স টেস্ট ম্যাচের জন্য আর বিবেচিত হবেন না।’