আজ বাংলাদেশের এশিয়া কাপ শুরু। স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাল্লেকেলেতে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে তিনটায় মাঠ নামবেন সাকিব আল হাসানরা।
পাল্লেকেলেতে বাংলাদেশ মাত্র একবারই খেলেছে। ২০১৩ সালে সে ম্যাচে সাকিব-তামিমকে ছাড়া খেলতে নেমেও লঙ্কার মাটিতে প্রথম জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। দশ বছর পর সে মাঠে আবার খেলতে নামছে বাংলাদেশ।
ভেন্যুতে শতভাগ সাফল্য থাকলেও ইতিহাস বিবেচনায় বাংলাদেশ বেশ পিছিয়ে। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৮১.৬৩ ভাগ ম্যাচেই জিতেছে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের বিপক্ষে এর চেয়ে বেশি দাপট শুধু পাকিস্তানের।
তবে স্কোয়াড গভীরতা, চোট ও বর্তমান ফর্ম দুই দলের অবস্থান পাল্টে দিয়েছে। পাল্লেকেলের দ্বিমুখী আচরণের উইকেটও বাংলাদেশে সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজের জন্য উপযোগী।
বোলিং নয়, বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা ব্যাটিং নিয়ে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে ইনিংসের শুরুটা নিয়ে। নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয়ের ফর্ম মিডল অর্ডারের শূন্যতা পূরণ করেছে। কিন্তু তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের অনুপস্থিতি ওপেনিং নিয়ে চিন্তা বাড়িয়েছে।
মোহাম্মদ নাঈম শেখ তো আগেই ছিলেন, উইকেটকিপিং পারেন- এই চিন্তায় এনামুল হক বিজয়কেও শ্রীলঙ্কায় নিয়ে গেছে। তবে আজ তরুণ তানজীদ হাসান তামিমের অভিষেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে ওপেনিং জুটিটা হতে পারে নাঈম ও তামিমের। এরপর শান্ত, তারপর সাকিব। পাঁচে ও ছয়ে যথাক্রমে হৃদয় ও মুশফিক।
এরপরই বাংলাদেশ দলের আরেকটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা। গত দুই বছর ধরে সাতে আফিফ হোসেনকে খেলিয়েছে দল। কিন্তু কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে দায়িত্ব নেওয়ার পর দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। ঘরোয়া ক্রিকেটের ফর্মে আবার ফিরলেও আফগানিস্তান সিরিজে ব্যর্থ তিনি। ওদিকে বোর্ড সভাপতিও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সাতে মেহেদী হাসান মিরাজকে বিবেচনা করছে দল।
শ্রীলঙ্কার উইকেটের কথা বিবেচনা করে বাড়তি স্পিনার নেওয়ার সিদ্ধান্ত যদি দল নেয় তবে মিরাজকে সাতে দেখা যাবে এবং নাসুম আহমেদ দলে ঢুকে পড়বেন। শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনে মাত্র দুজন বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের উপস্থিতিও বাড়তি বাঁহাতি স্পিনার নিতে উৎসাহ দিতে পারে। আর প্রথম ম্যাচে বাড়তি ব্যাটসম্যানের নিরাপত্তা চাইলে আফিফকেই দেখা যাবে সাতে। মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে হালকা চোট শঙ্কা আছে। সেক্ষেত্রে আরেক বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম থাকবেন একাদশে। পেস আক্রমণ পূর্ণ করবেন তাসকিন ও হাসান মাহমুদ।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: নাঈম শেখ, তানজীদ হাসান তামিম/এনামুল হক বিজয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, তাওহীদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ/আফিফ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, শরীফুল ইসলাম।