ম্যাচে ফেবারিট ছিল আর্সেনালই। তবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও লড়েছে সমানে-সমান। লাভ হয়নি তাতে। শেষমেশ আর্সেনালই ঘরের মাঠে জয়ের মালা পরেছে, ইউনাইটেডকে হারিয়েছে ৩-১ গোলে। আর্সেনালের হয়ে গোল করেছেন অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড, ইংলিশ মিডফিল্ডার ডেকলান রাইস ও ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার গাব্রিয়েল জেসুস। ইউনাইটেডের হয়ে গোল করেছেন মার্কাস র্যাশফোর্ড।
অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের শুরুতে ম্যাচে সমতাই ছিল। প্রথমার্ধে ২৭ মিনিটে ম্যাচের স্রোতের বিপরীতে দুর্দান্ত এক প্রতি আক্রমণে ড্যানিশ মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনের পাস থেকে ডান পায়ের বাঁকানো শটে গোল করেন ইউনাইটেডের উইঙ্গার র্যাশফোর্ড। গোল শোধ করতে আর্সেনাল সময় নেয় মাত্র ৩৫ সেকেন্ড। গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির পাস থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে ইউনাইটেডের ক্যামেরুনিয়ান গোলকিপার আন্দ্রে ওনানাকে পরাস্ত করেন আর্সেনালের অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড।
এরপর অনেক সুযোগ পেলেও গোল পাচ্ছিল না আর্সেনাল। ৮৯ মিনিটে আবারও আরেকটা প্রতি আক্রমণে গোল করেন ইউনাইটেডের আর্জেন্টাইন উইঙ্গার আলেহান্দ্রো গারনাচো। পরে দেখা যায়, একটু জন্য অফসাইডে ছিলেন তিনি। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বল বুক দিয়ে নামিয়ে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করে আর্সেনালকে এগিয়ে দেন ডেকলান রাইস। এর কিছুক্ষণ পরেই আরেকটা গোল করে জয় নিশ্চিত করেন গাব্রিয়েল জেসুস। অথচ, গারনাচোর গোলটা হলে আর্সেনাল হয়তো ম্যাচে ফেরার তেমন অনুপ্রেরণাই পেত না!
এসব নিয়েই খেপেছেন ইউনাইটেডের কোচ এরিক টেন হাগ। তাঁর মতে, রেফারির সিদ্ধান্তগুলো তাঁর দলের বিপক্ষে গেছে, ‘আমরা আমাদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট, ভালোই খেলেছি আমরা। কিন্তু বাকি সবকিছু আমাদের বিপক্ষে গেছে। সবকিছু এভাবে বিপক্ষে গেলে ম্যাচ জেতা যায় না আসলে। ম্যাচ জেতার জন্য আরেকটু ভাগ্যের সহায়তা লাগবে।’
গারনাচোর গোলটা অফসাইড ছিল না বলে দাবি করেছেন এই ডাচ কোচ, ‘গারনাচোর গোলটা অফসাইড ছিল না। ভুল দিক থেকে গোলটা দেখে অফসাইডের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এরপর রাসমুস হইলন একটা পেনাল্টি পেয়েছিল, দেওয়া হয়নি। আমরা একটা গোলও হজম করলাম জনি এভান্সের ফাউলের শিকার হওয়ার ঠিক পরপর। এগুলো খালি চোখেই বোঝা যায়।’