প্রেমিকাদের বয়স নিয়ে ডি ক্যাপ্রিওকে খোঁচা ওজিলের

ইনসেপশন, ওলফ অব ওয়াল স্ট্রিট, এবং অবশ্যই টাইটানিক – লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও এই প্রজন্মের সেরা অভিনেতাদের একজন। তাঁর অভিনয় প্রতিভা বারবার মার্টিন স্করসিস ও ক্রিস্টোফার নোলানদের মতো পরিচালকদের তাঁকে বেছে নিতে বাধ্য করে।

কিছুদিন আগেই স্করসিসের সঙ্গে ডি ক্যাপ্রিওর ষষ্ঠ চলচ্চিত্রটি পর্দায় এসেছে। কিলারস অব ফ্লাওয়ার মুন-এরি প্রচারণায় লন্ডনে গিয়েছিলেন হলিউড অভিনেতা। ফ্লাওয়ার মুনের সহ-অভিনয়শিল্পী লিলি গ্ল্যাডস্টোনের সঙ্গে লন্ডনের ওডিওন লুক্সে গিয়ে মজার ছলে শহরের ক্লাব আর্সেনালকে খোঁচা দিয়েছিলেন ডি ক্যাপ্রিও। এর জবাবে ডি ক্যাপ্রিওকে আরও বড় খোঁচা খেতে হয়েছে ওজিলের কাছ থেকে।

হলিউডে ডি ক্যাপ্রিওকে নিয়ে একটি কথা প্রচলিত। প্রেমিকার বয়স ২৫ পার হলেই তাঁদের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যায় ডি ক্যাপ্রিওর। এ নিয়ে প্রকাশ্যেই তাকে খোঁচা খেতে হয়েছে। ২০২০ গোল্ডেন গ্লোবের অনুষ্ঠানে উপস্থাপক ও কমেডিয়ান রিকি গারভেইস ক্যাপ্রিওর সদ্য বের হওয়া চলচ্চিত্র ওয়ানস আপন আ টাইম ইন হলিউড তিন ঘণ্টা লম্বা বলে অনন্য উপায়ে খোঁচা দিয়ে বলেছিলেন, ‘প্রিমিয়ার দেখে বের হতে হতে লিও ডি ক্যাপ্রিওর বান্ধবীর বয়স প্রেম করার অযোগ্য (২৫-এর বেশি) হয়ে গেছে।’

ওজিল। ছবি: টুইটার

এমন কৌতুকে ডি ক্যাপ্রিও নিজেই হেসে ফেলেছিলেন। ব্রিটিশ গারভেইসের দেশে গিয়ে হয়তো সে কারণেই একটু কৌতুক করতে ইচ্ছা হলো এই অভিনেতার। গত সপ্তাহে লন্ডনে যখন তাঁকে বলা হলো, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়রা যুক্তরাষ্ট্রের বাস্কেটবলের খেলোয়াড়েরা ভালো, ডি ক্যাপ্রিও বলে ওঠেন, ‘মাইকেল জর্ডানের চেয়ে ভালো?’ ‘সর্বকালের সেরা বাস্কেটবল খেলোয়াড় উনি!’ 

এরপর বলেছেন ফুটবল খুব বেশি অনুসরণ করা হয় না, এবং আরেকটু খেপিয়ে দিতেই বলে বসেন, ‘আর্সেনাল কী জিনিস!’
এমন খোঁচায় কেউ খেপেছেন, কেউবা মেনে নিয়েছে- হলিউডের একজন অভিনেতার ফুটবল নিয়ে জ্ঞান নাও থাকতে পারে। তবে ডি ক্যাপ্রিওর চেয়েও আলোড়ন তুলেছে সাবেক আর্সেনাল তারকা মেসুত ওজিলের জবাব। টুইটে জার্মান মিডফিল্ডার বলেছেন, ‘আর্সেনাল ক্লাবের বয়স ২৫ বছরের চেয়ে বেশি… উনি তাহলে কীভাবে জানবে (আর্সেনাল কী)?’ এমন দুর্দান্ত এক জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসির রোল পড়েছে।

ডি ক্যাপ্রিও একজন ঘোষিত বাস্কেটবল সমর্থক। তবে ফুটবল অনুসরণ না করার কথাটা রসিকতা। ২০১০ বিশ্বকাপ দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। ২০১৩ সালে প্যারিসে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচেও গ্যালারিতে ছিলেন। ২০১৪ বিশ্বকাপের সময় ইয়টে সবাই মিলে খেলা দেখার ব্যবস্থা করেছিলেন।