‘বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যে যে প্রীতি ম্যাচ সূচিতে নির্ধারিত ছিল, সেটি বাতিল করা হয়েছে। তবে খেলা চলবে। বাংলাদেশ এখন নেপালের সঙ্গে ফিফা প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে’ – ফেসবুক পেইজে কিছুক্ষণ আগে এই ঘোষণাই দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।
ঘোষণার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া ফটো কার্ডে দেওয়া আছে নতুন করে নির্ধারিত নেপাল-বাংলাদেশ ম্যাচের তারিখ ও সময়। ১৩ নভেম্বর, ২০২৫। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়।
কিন্তু ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ-আফগানিস্তান প্রীতি ম্যাচে না হয়ে এখন বাংলাদেশ-নেপাল হচ্ছে কেন? উত্তরে জড়িয়ে আছে মিয়ানমার!
আগামী ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের দুটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল! একটিতে ভারতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ, অন্যটিতে আফগানিস্তান খেলার কথা ছিল মায়ানমারের সঙ্গে। আফগানিস্তান-মিয়ানমার ম্যাচ দিয়েই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ তৃতীয় কোনো দেশের ম্যাচের ‘নিরপেক্ষ ভেন্যু’ হওয়ার কথা ছিল। আফগানিস্তান স্বাগতিক, কিন্তু ম্যাচটা হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশে। নিজেদের সেই ম্যাচকে সামনে রেখেই ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান খেলার কথা ছিল প্রীতি ম্যাচ।
কিন্তু সব বদলে গেল মায়ানমারের আপত্তিতে। তারা বাংলাদেশে এসে খেলতে রাজি নয়। আফগানিস্তান-মিয়ানমার ম্যাচের স্বাগতিক দল আফগানিস্তান বলে মায়ানমার তাদের আপত্তির কথা আফগানিস্তানকে জানায়। আফগানিস্তান সেটি জানায় বাংলাদেশকে। আর মিয়ানমারের সঙ্গে ম্যাচই যেহেতু বাংলাদেশের মাটিতে হচ্ছে না আফগানিস্তানের, সে কারণে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচটিও বাতিল করার অনুরোধ জানায় বাফুফেকে।
আফগানিস্তানের কাছ থেকে প্রীতি ম্যাচ বাতিলের অনুরোধ পাওয়ার পর বাফুফে নেপালের ফেডারেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এর পরই নির্ধারিত হয়, ১৩ নভেম্বর ঢাকায় হবে বাংলাদেশ-নেপাল প্রীতি ম্যাচ।