বিশ্বকাপের দায়িত্ব থেকে বাদ পড়া ৩৮ বছর বয়সী ডাচ রেফারির মৃত্যু

এবারে বিশ্বকাপে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল রব দিয়েপেরিঙ্কের। কিন্তু গত মে মাসে ফিফার বিশ্বকাপ অফিসিয়ালদের তালিকা থেকে ৩৮ বছর বয়সী এ রেফারিকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

ওই ঘটনার কয়েকসপ্তাহ পরে, দিয়েপেরিঙ্কের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তিনি কীভাবে মারা গেছেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

অবশ্য দিয়েপেরিঙ্ককে গত এপ্রিলে গ্রেপ্তার করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের মেট্রোপলিটন পুলিশ। এক কিশোরকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে তাঁকে আটক করা হয়। তবে পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় পরে মামলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

দিয়েপেরিঙ্কের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নেদারল্যান্ডস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কেএনভিবি)। এক বিবৃতিতে কেএনভিবি উল্লেখ করেছে, ‘আমরা অত্যন্ত সম্মানিত একজন রেফারিকে হারালাম। তবে তার চেয়েও বেশি হারালাম একজন সদয় ও নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মীকে।’

৩৮ বছর বয়সী এ রেফারির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ফিফাও, ‘পুরো ফুটবল সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আমরা তার পরিবার, বন্ধু এবং ডাচ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। তিনি শান্তিতে থাকুন।’

উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকে নেদারল্যান্ডসের শীর্ষ ফুটবল লিগে রেফারির দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। এছাড়া ২০২৪ ইউরোতে ছিলেন ভিএআরের দায়িত্বে।

২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে অব্যাহতির পর ডাচ সংবাদমাধ্যম দে তেলেগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দিয়েপেরিঙ্ক বলেছিলেন, তাঁকে ‘ভুলভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এটা ভীষণ কষ্ট দিয়েছে।’

সে সময় তিনি আরও বলেছিলেন, ‘শুরু থেকেই আমি পুলিশের তদন্তে পুরোপুরি সহযোগিতা করেছি এবং ফিফা, উয়েফা ও কেএনভিবিকেও বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছি। কেএনভিবির কাছ থেকে পাওয়া সমর্থন এবং তারা যেভাবে এই পরিস্থিতি সামলেছে, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। তবে ফিফা আমাকে আর বিশ্বকাপে দায়িত্ব না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এটা অবশ্যই হতাশাজনক।"