ফ্রান্সকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে, ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন। এমবাপে, দেম্বেলেরা স্প্যানিস রক্ষণ ভেদ করে, গোল দিতে ব্যর্থ। ওয়ারসাবাল ও পেদ্রোর গোলে জয় পেয়েছে স্পেন। এ নিয়ে টানা ৩ ম্যাচে স্পেনের কাছে হারল ফ্রান্স এবং তিনটি ম্যাচই বড় মঞ্চে।
নেশন্স লিগ সেমিফাইনাল, ইউরো সেমিফাইনাল এবং সবশেষ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল, বড় মঞ্চে টানা ৩ সেমিতে স্পেনের কাছে ফ্রান্সের হার। স্প্যানিস জুজু কোনোভাবেই কাটাতে পারছে না ফ্রান্স। অথচ বিশ্বকাপ জুড়ে এমবাপে, দেম্বেলেদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে বলা হচ্ছিল এই ফ্রান্সকে আটকাবে কে! ফ্রান্স আটকে গেল বরাবরের মতো স্পেনের বিপক্ষে।
স্প্যানিশ দুর্গ ভাঙতেই পারেনি ফরাসিরা। প্রথমার্ধে গোলমুখে কোন শট নেই। পুরো ম্যাচেই গোল পোস্টে মাত্র ৩টি শট। এমবাপে, ওলিসেকে এদিন বোতলবন্দী করে রাখে স্প্যানিশ ডিফেন্ডারররা।
স্পেন এগিয়ে যায় ২২ মিনিটে। ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়ে বক্সে ইয়ামালকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্পেন। নিখুঁত স্পটকিকে লিড এনে দেন মিকেল ওয়ারসাবাল।
বিরতির পর দানি ওলমোর সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় পেদ্রো পোরো স্পেনের পক্ষে দ্বিতীয় গোলটি করেন। ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে ফ্রান্স আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।
এমবাপে, দেম্বেলের মতো অ্যাটাকার অবিশ্বাস্যভাবে এদিন ব্যর্থ। তাদের আটকে রাখায় কৃতিত্ব দিতে হবে স্প্যানিশ ডিফেন্ডারদের।
অফসাইডের কারণে ৬৪ মিনিটে লামিনে ইয়ামালের গোল বাতিল না হলে, স্পেনের জয়ের ব্যবধান আরো বড় হতো।
দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন। ২০১০ সালে প্রথমবার ফাইনাল খেলেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সেবার ইউরো চ্যাম্পিয়নও ছিল স্পেন। আরও একবার যখন বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন, কাকতালীয়ভাবে এবারও ইউরো চ্যাম্পিয়ন তারাই। স্প্যানিশরা যখন ছন্দে থাকে, তারা হয়ে ওঠে সর্বজয়ী।