বিদায়ের শঙ্কা উড়িয়ে, মেসি ম্যাজিকে টানা দ্বিতীয় ফাইনালে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে,কঠিন পথ পেরিয়ে শিরোপায় চোখ রাখছে স্পেন। আক্রমণে সেরা দলের বিরুদ্ধে রক্ষণের সেরা লড়বে ফাইনালে। গোল করা ও হজমে বড় পার্থক্য দুদলের। তাছাড়া সব পরিসংখ্যানই প্রায় সমান। প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনা নির্ভর স্পেনকে নিয়ে চিন্তিত নন মেসি।
নানা নাটকীয়তা, রোমাঞ্চ, রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর ফাইনালে আর্জেন্টিনা-স্পেন। রোববার রাতে নিউজার্সি স্টেডিয়ামে র্যাংকিয়ে শীর্ষে দুইদলের মহারণ। বিশ্বকাপে প্রথমবার ইউরো ও কোপা চ্যাম্পিয়নের শিরোপা লড়াই।
শেষ চার আসরে তৃতীয় ফাইনাল মেসির আর্জেন্টিনা। নকআউটের প্রতিটি বাধা পার করেছে দুর্দান্ত কামব্যাকে। কেপ ভার্দে, মিশর, সুইজারল্যান্ডের পর ইংল্যান্ড পারেনি অদম্য আর্জেন্টিনার সাথে। খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলে মহানায়ক মেসি। এনজো-মার্তিনেজও সমর্থন দিয়ে গেছেন।
১৬ বছর পর ফাইনালে স্পেন। নকআউটে পর্তুগাল, বেলজিয়াম ও হট ফেভারিট ফ্রান্সকে বিদায় করে ইয়ামাল-রদ্রিরা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ থেকে এক ধাপ দূরে। মাঝমাঠে দাপট, জমাট রক্ষণে স্প্যানিশরা আর্জেন্টিনা বধের স্বপ্ন দেখছে।
টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ১৯ গোল আর্জেন্টিনার। আর সর্বোচ্চ ৬ ক্লিনশিট স্পেনের, সাত ম্যাচে হজম করেছে ১ গোল। অন্য সব পরিসংখ্যানে দুদল প্রায় সমান। পাস অ্যাকুরেসি, ক্রস, ফ্রি কিক, কর্নার...সবখানেই। গোল অ্যাটেম্পট, অন টার্গেট শটেও কাছাকাছি। সেরা আক্রমণভাগের সঙ্গে সেরা রক্ষণের লড়াই ফাইনালে।
আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি বলেন, স্পেন শক্ত প্রতিপক্ষ। দারুণ সব ফুটবলার আছে। কিন্তু ওদের সম্পর্কে আমার ধারণা পরিষ্কার। আমি ওদের অনেকের বিরুদ্ধে খেলেছি। এখনও ওদের খেলা দেখি। অনেকেই বার্সেলোনার ফুটবলার। যে ক্লাবটাকে আমি এখনও ভালবাসি। যে ক্লাবের খেলা এখনও দেখি। তাই আশা করছি খুব ভালো একটা ফাইনাল হবে। দু’দলই সমান শক্তি নিয়ে নামবে। ওদের কথা খুব বেশি ভাবছি না।
দুদলেই আছে একাধিক ম্যাচ উইনার। তবে মেসির ফর্ম আর ম্যাজিক, আর্জেন্টিনার জন্য আশীর্বাদ। স্নায়ুচাপের ম্যাচে ভাগ্যকেও পাশে দরকার।