এ মৌসুমেও কি তাহলে লা লিগা বার্সেলোনাই জিতছে? গত বছর প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতে বার্সেলোনার কাছে ১-০ গোলে হেরে গিয়েছিল রেয়াল মাদ্রিদ। মূল মৌসুমেও সে দাপট ধরে রেখে লিগ জিতেছিল বার্সেলোনা। এবার তো জয় আরও বড় ব্যবধানে। ডালাসে গতকাল রাতে মাদ্রিদকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা।
ম্যাচের ফল যতটা বলছে, অতটা একপেশে অবশ্য ছিল না। ম্যাচে শট বেশি ছিল মাদ্রিদের। একটি পেনাল্টি মিস করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। বেশ কয়েকবার গোল পোস্ট ও ক্রসবারে বল লেগেছে। অবশ্য বার্সেলোনাকেও গোলবঞ্চিত করেছে পোস্ট।
পঞ্চম মিনিটে রোমিউর শট ক্রসবারে লাগে। ১০ মিনিট পরই এগিয়ে যায় কাতালানরা। পেদ্রির পাস থেকে ফাঁকায় থাকা উসমানে দেমবেলের জোরালো শটে এগিয়ে যায় বার্সা। একটু পরই সমতায় ফিরতে পারত মাদ্রিদ। কিন্তু ভিনিসিয়ুসের পেনাল্টি ক্রসবারে লাগে। এরপর দুই দলই মল্লযুদ্ধে নেমেছিল। ফলে প্রথমার্ধের বাকি সময়ে ফাউল, হলুদ কার্ড দেখেই সময় কেটেছে। এর মধ্যে ফ্রেঙ্কি দি ইয়ং শুধু প্রীতি ম্যাচ বলেই লাল কার্ডের হাত থেকে বেঁচে গেছেন।
এর মধ্যেই ভিনিসিয়ুসের শট আবার ক্রসবারে লেগে ফিরেছে। বেলিংহামের শট লেগেছে পোস্টে। রদ্রিগোর একটি শট আটকেছেন মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগেন। হালকা চোট নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন বার্সেলোনার ক্রিস্টেনসেন ও গুনদোয়ান।
দ্বিতীয়ার্ধে বার্সেলোনা দাপট দেখিয়ে শুরু করেছিল কিন্তু ১০ মিনিট পর মাদ্রিদ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ম্যাচের। অরেলিয়াঁ চুয়ামেনির আরেকটি শট ক্রসবারে লাগে। ম্যাচে সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মাদ্রিদ। বার্সেলোনা কোচ শাভি এরনান্দেস তাই প্রতিআক্রমণকে অস্ত্র মানেন। ৮৫ মিনিটে একাডেমির মিডফিল্ডার ফেরমিন লোপেস দূরপাল্লার শটে ব্যবধান বাড়ান।
একটু পর ভিনিসিয়ুসের আরেকটি শট ক্রসবারে লাগার পর বোঝা যায়, দিনটি আসলেই মাদ্রিদের না। ফেরমিনের পাস থেকে যোগ করা সময়ে গোল করেন ফেরান তোরেস।