তাঁর চিৎকারের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে শুধু বাঘ-সিংহের গর্জন

উইম্বলডন এর শিরোপা ব্রিটেনের কারও হাতে দেখার আশা ড্রয়ের পরই কমে গিয়েছিল। গতকাল তৃতীয় রাউন্ডেই ব্রিটেনের এক নাম্বার তারকা এমা রাদুকানু মুখোমুখি হয়েছিলেন বিশ্বের এক নাম্বার তারকা আরিয়ানা সাবালেঙ্কার। 

তিনটি গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী ও শীর্ষ বাছাই সাবালেঙ্কা সরাসরি সেটে জিতেছেন ম্যাচটি। প্রথম সেটে টাইব্রেকারে যেতে হলেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি জিতেছেন ৭-৬ (৮-৬), ৬-৪ গেমে।

২০২১ ইউএস ওপেনজয়ী রাদুকানু গত কিছুদিন ধরে খুব একটা ছন্দে নেই। নামতে নামতে র‍্যাঙ্কিংয়ে ৪০-এ চলে গেছেন। যদিও বেলারুশিয়ান তারকার বিপক্ষে পাল্লা দিয়ে খেলেছে। প্রথম সেটে ৬-৫ অবস্থায় সার্ভিং পেয়েও সেট জিততে পারেননি। টাইব্রেকারেও সেট পয়েন্ট পেয়েছিলেন তিনি। 

ম্যাচ শেষে তাই হতাশা রাদুকানু, ‘এটা হজম করা এখনো কঠিন। এমন হার মেনে নেওয়া কঠিন। তবে আমি আরিয়ানাকে চাপে ফেলেছি, যে এখন বিশ্বের সেরা এবং দুর্দান্ত এক চ্যাম্পিয়ন। তাই গর্ববোধ করা উচিত আমার।’  

অবশ্য রাদুকানুরও দোষ নেই। সাবালেঙ্কার বিপক্ষে খেলতে নামলে যে দুজন প্রতিপক্ষকে সামলাতে হয়। অনেক টেনিস তারকাই টেনিসে সার্ভ করার সময় বা যেকোনো শটের সময় অনেক জোরে শব্দ করেন। এ কারণে মারিয়া শারাপোভা বেশ ‘বিখ্যাত’ ছিলেন। এ নিয়ে বেশ কিছু প্রতিপক্ষকে অস্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা যেত।

এটা বেশ হাস্যরসের জোগান দিয়েছে।

সাবালেঙ্কার তুলনায় শারাপোভার চিৎকার তেমন কিছুই না। উইম্বলডন এই ম্যাচ সম্প্রচারের সময় একটি মজার গ্রাফিকস দিয়েছিল টিভি পর্দায়। সেখানে বিভিন্ন উচ্চ কম্পাঙ্কের বিভিন্ন আওয়াজের সঙ্গে সাবালেঙ্কার চিৎকারের তুলনা করা হয়েছে।

সেখানে দেখানো হয়েছে মোটরসাইকেল চলার সময় ১০০ ডেসিবল শব্দ হয়। গাড়ির হর্নের সময় ১০৯ ডেসিবল পর্যন্ত ওঠে। সিংহের গর্জন যা দূরদূরান্ত থেকে শোনা যায়, সে গর্জনের তীব্রতা ১১৪ ডেসিবল। আর সাবালেঙ্কা? ১১৩ ডেসিবল!