মানুষের প্রতি সুফিয়া কামালের ভালবাসা ছিল অকৃত্রিম

নারীমুক্তি আন্দোলনের পথপ্রদর্শক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জননী সাহসিকা কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী ২০ জুন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উদ্যোগে ২০ জুন সংগঠনের কার্যালয় সুফিয়া কামালের প্রতিকৃতিতে  ফুল  দিয়ে  শ্রদ্ধা নিবেদন  করা  হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, ‘সামাজিক, গণতান্ত্রিক,  নারীমুক্তি আন্দোলনের পথপ্রদর্শক কবি সুফিয়া কামাল। তিনি অসমতা, অন্যায্যতার বিরুদ্ধে এবং প্রগতির পক্ষে যে আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন তাঁর স্নেহধন্য হিসেবে আমরা এই আন্দোলনকে অগ্রসর করে নিয়ে যাব।’

সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয়  ও ঢাকা মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  

এ ছাড়া ২০ জুন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) উদ্যোগে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে কবি সুফিয়া কামালের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি ‘সাঁঝের মায়া’য় তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)’র প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি কন্যা সাঈদা কামাল। তিনি বলেন, ‘কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন একজন সংগঠক, নারী আন্দোলনের পুরোধা ও  মহিলা পরিষদের সভাপতি। সমাজ পরিবর্তনে ক্ষেত্রে তাঁর অবদান দেশের প্রতিটি মানুষ মনে রাখবে।’ 

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে স্মৃতিচারণ করেন খুশি কবির, তাহমিনা খান, সৈয়দ আবুল বারাক আলভী, শিক্ষক ও গবেষক আব্দুল্লাহ আল মোহন, কাজী সুফিয়া আক্তার, জান্নাতুন মাওয়াসহ বিভিন্ন সংগঠন থেকে আগত স্বজনেরা। 

বক্তারা বলেন, সমাজ উন্নয়নে কবি সুফিয়া কামালের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি গুরুত্ব দিতেন মানুষকে, মানুষের প্রতি তাঁর ভালবাসা ছিল অকৃত্রিম। তাঁর মায়া-মমতা তাঁকে সবার কাছ থেকে আলাদা করেছে। তিনি ছিলেন আমাদের সকলের অভিভাবক।

সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে কবির লেখা থেকে পাঠ করেন এমি আফসানা চৌধুরী। সংগীতে অংশগ্রহণ করেন সোহানা, ফেরদৌসি রহমান চন্দন, জাহাঙ্গীর ও কাঞ্চন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এমএসএফ’র অ্যাডভোকেট নাহিদ সামস্।