কর্মক্ষেত্রে অবদান বাড়লেও মজুরি-মর্যাদায় এখনও পিছিয়ে নারীরা

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম

প্রতি ১০ জন শ্রমিকের প্রায় ৪ জনই নারী। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে তাদের অবদান বাড়ছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়লেও মজুরি, পদোন্নতি ও মর্যাদার ক্ষেত্রে এখনো বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তারা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কার্যকর মজুরি মানদণ্ড ও তদারকির অভাবে এই বৈষম্য কমছে না।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট শ্রমশক্তির সংখ্যা সাত কোটির বেশি। এর মধ্যে দুই কোটি ৩৬ লাখ নারী, যা মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৩৯ শতাংশ। কৃষি, শিল্প ও সেবাখাত সব ক্ষেত্রেই নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। গ্রাম থেকে শহর, ক্ষেতখামার থেকে কারখানা, সবখানেই তাঁদের উপস্থিতি এখন দৃশ্যমান।

তবে শ্রমবাজারে পুরুষদের সঙ্গে সমানতালে কাজ করলেও মজুরির ক্ষেত্রে সমতা আসেনি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, একই ধরনের কাজ ও সমপরিমাণ শ্রম দেওয়ার পরও নারী শ্রমিকেরা দৈনিক গড়ে ১০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত কম মজুরি পান।

শুধু মজুরিতেই নয়, পদোন্নতির ক্ষেত্রেও বৈষম্যের অভিযোগ রয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন কাজ করেও অনেক নারী কর্মী কাঙ্ক্ষিত পদোন্নতি পান না। অন্যদিকে পুরুষ সহকর্মীরা তুলনামূলক দ্রুত পদোন্নতির সুযোগ পান।

বেকারত্বের চিত্রও নারীদের জন্য উদ্বেগজনক। উচ্চশিক্ষিত নারীদের মধ্যে বেকারত্বের হার ২০ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যেখানে পুরুষদের ক্ষেত্রে তা ১১ শতাংশের কিছু বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মক্ষেত্রের বাইরে নারীরা প্রতিদিন যে বিপুল সময় গৃহস্থালি কাজ ও পরিবারের সদস্যদের যত্নে ব্যয় করেন, তার কোনো অর্থনৈতিক মূল্যায়ন হয় না। ফলে তাঁদের প্রকৃত অবদান জাতীয় অর্থনীতির হিসাবে প্রতিফলিত হয় না।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দেশে নির্দিষ্ট মজুরি মানদণ্ড না থাকায় নারী-পুরুষের মজুরি বৈষম্য রয়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে শ্রমিক সংগঠনগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকারের তদারকি বাড়ানো প্রয়োজন।’

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, অর্থনৈতিক বৈষম্যের পাশাপাশি সামাজিক ও মানসিক দৃষ্টিভঙ্গিও নারীদের অগ্রগতির পথে বড় বাধা। কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কার্যকর কোনো মনিটরিং ব্যবস্থা এখনো গড়ে ওঠেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, নারী শ্রমিকদের আয় ও সুযোগের বৈষম্য কমাতে প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক নীতি, সামাজিক সচেতনতা এবং বিদ্যমান শ্রম আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন। তা না হলে শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়লেও সমঅধিকার ও ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

সৌন্দর্যশিল্প খাতের ৯৯ জন উদ্যোক্তার উঠে আসার গল্প নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে ‘চলো এগিয়ে যাই’ বই। সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ এবং উজ্জ্বলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সহপ্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের পরিকল্পনা ও সম্পাদনায়...
বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর সরকারি চাকরিতে বাড়ছে নারীর অংশগ্রহণ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সবশেষ তথ্য বলছে, ৬৪ জেলার মধ্যে ২১ জেলার দায়িত্ব সামাল দিচ্ছেন নারী জেলা প্রশাসকরা (ডিসি)। পাশাপাশি বেড়েছে...
হয়তো আপনার পরিচিত কোনো স্কুলপড়ুয়া মেয়ের ফেসবুক আইডি থেকে অদ্ভুত কিছু বার্তা পেলেন। অবাক হবেন না, হয়তো আপনার পরিচিত সেই মেয়েটি সাইবার অপরাধের নির্মম শিকার। এমন ভুয়া আইডি তৈরি করে বিভিন্নজনকে পাঠানো...
ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা ও মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করতে হবে। নারী উদ্যোক্তা ও সামাজিক উন্নয়ন নিয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন, সংবিধান দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও উৎসব পালনের শতভাগ অধিকার দিয়েছে। তাই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনে কোনো দুশ্চিন্তা বা শঙ্কার...
রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রসংস্কারের যে অভূতপূর্ব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
লোডিং...
পঠিত নির্বাচিত

এলাকার খবর