বাড়তে থাকা নিপীড়নের মধ্যে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস

নারীর প্রতি ক্রমশ বাড়তে থাকা নিপীড়নের মধ্যে আজ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। যুদ্ধ, মানব পাচার আর সাইবার জগতে নারীর সুরক্ষায় সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। বিশ্বের অন্যসব দেশের মত বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে- আলোচনা, গান আর সম্মাননা প্রদানের মধ্য দিয়ে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুরুটা হয় শ্রমিক আন্দোলন থেকে। ১৯০৮ সালে যখন প্রায় ১৫ হাজার নারী নিউ ইয়র্কের রাস্তায় নেমে আসেন কর্মঘন্টা, বেতনের ন্যায্যতা নিশ্চিত আর ভোটের অধিকারের দাবি তুলেছিলেন তারা।

১৯১০ সালে বিশ্বজুড়ে নারী দিবস পালনের বিষয়টি সামনে আনেন অধিকার কর্মী আইনজীবী ক্লারা জেটকিন। তবে, দিবসটির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মিলে ১৯৭৫ সালে, জাতিসংঘের উদযাপনের মাধ্যমে।

এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য -আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার। অধিকার, মর্যাদা নিয়ে শুধু কথা নয়, পদক্ষেপ চান নারীরা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিনারা নাজমীন বলেন, যেসব নারী সহিংসতার শিকার হন, এ ক্ষেত্রে দেশের আইনের শাসটা কঠোরভাবে হলে, কঠোরভাবে দমন হলে সহিংসতাটা কমে আসবে। 

আর নাগরিক হিসেবে ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতে সবার অংশগ্রহণ জরুরি মনে করেন বিশ্লেষকরা।

শাসন প্রক্রিয়া ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিশেষজ্ঞ মীর নাদিয়া নিভিন বলেন, সমতা কিংবা নারী অধিকার– এসব নিয়ে সত্যিকার অর্থেই কথা বলতে চাইলে সমাজের সবাইকে এটি বুঝতে ও জানতে হবে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বলেছেন নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের কথা। বলেন, সাইবার বুলিং ও অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার।