অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার নিয়ম আরও কঠিন হলো

বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসার নিয়মে আরও কড়াকড়ির ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানান, এখন থেকে বিদেশি শিক্ষার্থীরা আর তাঁদের সঙ্গে পরিবারকে অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যেতে পারবেন না। একই সঙ্গে, যাঁরা দেশটিতে থাকার মেয়াদ বাড়াতে চান, তাঁদের উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো কোর্সে ভর্তি হতে হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এই কঠোর নিয়ম করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার নিয়মও আরও কঠোর করা হবে। অস্ট্রেলিয়ার কৃষি খাতে এসব ভিসাধারী শ্রমিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় এসব ভিসার ক্ষেত্রে ব্যালট পদ্ধতি চালু করা হবে। তবে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন প্রযোজ্য হবে না।

অস্ট্রেলিয়ার ওয়ার্কিং হলিডে ভিসা একটি অস্থায়ী ভিসা, যার মাধ্যমে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী এবং কিছু দেশের ক্ষেত্রে ৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত ব্যক্তিরা সর্বোচ্চ ১২ মাস অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস, কাজ ও ভ্রমণ করতে পারেন। ভ্রমণের পাশাপাশি কাজ করে ভ্রমণের খরচ চালাতে চান, এমন তরুণদের জন্য বিশেষভাবে এই ভিসা চালু করা হয়েছে।

টনি বার্ক বলেন, অভিবাসন অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটি শক্তি হলেও এর ওপর উচ্চমাত্রার নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েট ভিসার বিষয়ে টনি বার্ক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবারের সদস্যদের অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে আসতে পারবেন—এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আমরা আর শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়াব না।’