বিশ্ব রাজনীতির দৃশ্যপট পাল্টে দেওয়া নাইন-ইলেভেন হামলার ২৫ বছর পূর্তি আজ। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলায় নিউইয়র্কে টুইন টাওয়ার ধ্বংস এবং ভার্জিনিয়ায় পেন্টাগন কার্যালয়ের ব্যাপক ক্ষতি হয়। মারা যান ১৫ বাংলাদেশিসহ প্রায় ৩ হাজার মানুষ। আহত হন কয়েক হাজার।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। নিউইয়র্কে তখন সকাল ৮টা ৪৬ মিনিট। যুক্তরাষ্ট্রের গর্ব, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উত্তর দিকের টাওয়ারে প্রথমে আছড়ে পড়ে ছিনতাই করা আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ওয়ান/ওয়ান উড়োজাহাজ। সরাসরি ঢুকে পড়ে ভবনের ৮০তম তলায়।
এর ১৭ মিনিট পর, সকাল ৯টা ৩ মিনিটে ছিনতাই করা আরেক উড়োজাহাজ–ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ওয়ান/সেভেন/ফাইভ আছড়ে পড়ে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দক্ষিণ দিকের টাওয়ারের ৬০তম তলায়।
মুহূর্তেই আগুন ধরে যায় দুটি ভবনে। কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় পুরো এলাকা। মাত্র ২ ঘণ্টায় ধসে পড়ে ভবন দুটি। মারা যায় বহু মানুষ।
প্রথম দুটি হামলার আধ ঘণ্টার মধ্যে তৃতীয় হামলা হয় পেন্টাগনে। এতে সেনা সদস্যসহ ১২৫ জন নিহত হয়। জিম্মি করা আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সেভেন/সেভেন উড়োজাহাজের ভেতরে থাকা ৬৪ জনও প্রাণ হারান।
এরপর, সকাল ১০টা ৩ মিনিটে চতুর্থ বিমানটি আছড়ে পড়ে পেনসিলভেনিয়ার এক মাঠে। জিম্মি করা বিমান- ইউনাইটেড ফ্লাইট নাইন/থ্রির যাত্রীরা ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোয় সেটি পেনসিলভেনিয়ায় বিধ্বস্ত হয়। চতুর্থ বিমান দিয়ে ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল হিলে হামলার পরিকল্পনা ছিল বলে ধারণা করা হয়।
১৯ জন ছিনতাইকারী, ছোট ছোট দলে ৪টি বিমান একইসাথে ছিনতাই করে হামলা চালায়। আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করে জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়েদা।