নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়ার জন্য যুক্তরাজ্যের সুপ্রিম কোর্টে আপিলের সুযোগ পাচ্ছেন না বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবেক আইএস সদস্য শামিমা বেগম। ফলে জঙ্গী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়া শামীমার যুক্তরাজ্যে ফেরার সব পথ বন্ধ হয়ে গেলো।
তবে এখন নিজের মামলার শুনানির জন্য ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্টকে সরাসরি অনুরোধ করতে পারবেন তিনি।
সিরিয়া থেকে যুক্তরাজ্যে আর ফেরার চেষ্টায় আরেকবার ধাক্কা খেলেন জঙ্গী গোষ্ঠী আইএসে যোগ দেয়া বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত শামিমা বেগম।
নিজের নাগরিকত্ব ফিরে পেতে সর্বশেষ র্বোচ্চ আদালতে নিজের মামলা হস্তান্তের জন্য আপিল আদালতকে অনুরোধ করেছিলেন শামীমা। কিন্তু সেখানেও হেরে গেলেন তিনি।
তবে, এখন শামিমা নিজের মামলার শুনানির জন্য ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্টকে সরাসরি অনুরোধ করতে পারবেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্য বিবিসি।
এর আগে গত বছর অক্টোবরে আপিল আদালতে করা শামিমার মামলার গত মাসে রায় হয়। সেই রায়ে বলে হয়, আইনগতভাবেই শামিমার নাগরিকত্ব বাতিল করেছিল ব্রিটিশ সরকার। বর্তমানে সিরিয়ায় থাকা শামিমার যুক্তরাজ্যে ফেরত আসার আর কোনও সম্ভাবনা নেই।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগমের জন্ম ও বেড়ে ওঠা যুক্তরাজ্যে। ২০১৫ সালে আইএসে যোগ দিতে ১৫ বছর বয়সে দুই বন্ধুর সঙ্গে লন্ডন থেকে পালিয়ে সিরিয়া যান শামিমা। এরপর সিরিয়ায় গিয়ে আইএসের এক যোদ্ধাকে বিয়ে করেন। এরপর তার তিনটি সন্তান হলেও, সন্তানেরা কেউ বেঁচে নেই।
এরপর ২০১৯ সালে তাকে সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে পাওয়া যায়। আইএস-এ যোগ দেয়ায় তার নাগরিকত্ব বাতিল করে ব্রিটিশ সরকার। এতে তিনি রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়েন। এরপর বেশ কয়েকবার আদালতের দ্বারস্থ হন শামিমা।