ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান আন্দোলনে দিন যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে জনসমর্থন। আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঠানো হচ্ছে খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা সামগ্রী। এমনকি স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসকেরা দিচ্ছেন চিকিৎসাসেবাও।
দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান করছেন ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপির আন্দোলনকারীরা। রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি চলচ্চিত্র ও বিনোদনজগতের তারকারাও প্রকাশ্যে সংহতি জানাচ্ছেন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। এবার আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন সারা দেশের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
প্রতিদিনই যেন নতুন গতি পাচ্ছে আন্দোলন। কড়া নিরাপত্তা আর নজরদারির মধ্যেও শিক্ষার্থীদের জন্য পৌঁছে যাচ্ছে চা, খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী। তবে এসব সহায়তার পেছনে কারা আছেন, সে পরিচয় বেশি ভাগ ক্ষেত্রেই গোপন রাখা হচ্ছে।
এক খাবার ডেলিভারি করা ব্যক্তি বলেন, ‘আমি চা নিয়ে এসেছি। তবে কে এটি অর্ডার করেছেন, তা আমার জানা নেই। আমাদের শুধু বলা হয়েছে যন্তর মন্তরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের কাছে চা পৌঁছে দিতে।’
আন্দোলনকারীদের দাবি, শুধু ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকেই নয়, দেশের বাইরে থাকা সমর্থকেরাও খাবার ও পানীয় পাঠিয়ে তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
এক আন্দোলনকারী বলেন, ‘সরকার আমাদের পাশে নেই। কিন্তু কেরালা, উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ সাহায্য পাঠাচ্ছেন। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিসের কোনো ঘাটতি নেই।’
খাবার সরবরাহের পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের স্বাস্থ্যসেবাও নিশ্চিত করছেন স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। যন্তর মন্তরে বসানো হয়েছে অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প। এতে চিকিৎসাসেবা দেওয়া একজন বলেন, ‘অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসছেন। কেউ খাবার পাঠাচ্ছেন, কেউ চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে আসছেন। সবকিছুই স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে চলছে।’
আরেকজন চিকিৎসক বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দিচ্ছি। মাথা ঘোরা, বমি, ব্যথা বা সংক্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ রয়েছে। আন্দোলনকারীরা যাতে দুর্বল হয়ে না পড়েন, সে জন্য ইলেকট্রোলাইটও রাখা হয়েছে।’
গত মাসে মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী। এর জেরেই অনলাইনভিত্তিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে শুরু হয় আন্দোলন। সোমবার বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিপেটার ঘটনায় আরও তীব্র হয় আন্দোলন।দিল্লিতে বিক্ষোভ: বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে খাবার–ওষুধ
ইনডিপেনডেন্ট ডেস্ক
ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান আন্দোলনে দিন যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে জনসমর্থন। আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঠানো হচ্ছে খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা সামগ্রী। এমনকি স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসকরা দিচ্ছেন চিকিৎসাসেবাও।
দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান করছেন ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপির আন্দোলনকারীরা। রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি চলচ্চিত্র ও বিনোদন জগতের তারকারাও প্রকাশ্যে সংহতি জানাচ্ছেন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। এবার আন্দোলনে যোগ হয়েছে সারা দেশের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
প্রতিদিনই যেন নতুন গতি পাচ্ছে আন্দোলন। কড়া নিরাপত্তা আর নজরদারির মধ্যেও শিক্ষার্থীদের জন্য পৌঁছে যাচ্ছে চা, খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী। তবে এসব সহায়তার পেছনে কারা আছেন, সে পরিচয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গোপন রাখা হচ্ছে।
একজন খাবার ডেলিভারি করা ব্যক্তি বলেন, ‘আমি চা নিয়ে এসেছি। তবে কে এটি অর্ডার করেছেন, তা আমার জানা নেই। আমাদের শুধু বলা হয়েছে যন্তর মন্তরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের কাছে চা পৌঁছে দিতে।’
আন্দোলনকারীদের দাবি, শুধু ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকেই নয়, দেশের বাইরে থাকা সমর্থকরাও খাবার ও পানীয় পাঠিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
একজন আন্দোলনকারী বলেন, ‘সরকার আমাদের পাশে নেই। কিন্তু কেরালা, উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ সাহায্য পাঠাচ্ছেন। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিসের কোনো ঘাটতি নেই।’
খাবার সরবরাহের পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের স্বাস্থ্যসেবাও নিশ্চিত করছেন স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। যন্তর মন্তরে বসানো হয়েছে অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্প। এতে চিকিৎসা সেবা দেওয়া একজন বলেন, ‘অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসছেন। কেউ খাবার পাঠাচ্ছেন, কেউ চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে আসছেন। সবকিছুই স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে চলছে।’
আরেকজন চিকিৎসক বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দিচ্ছি। মাথা ঘোরা, বমি, ব্যথা বা সংক্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ রয়েছে। আন্দোলনকারীরা যাতে দুর্বল না হয় সে জন্য ইলেকট্রোলাইটও রাখা হয়েছে।’
গত মাসে মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী। এর জেরেই অনলাইন ভিত্তিক সংগঠন- ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে শুরু হয় আন্দোলন। সোমবার বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিপেটার ঘটনায় আরও তীব্র হয় আন্দোলন।