ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে জড়ো হতে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি। দেশটির ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ দেয়ার অভিযোগে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চায় সিজেপি। শুক্রবার দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে জানান, পুলিশের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। খবর রয়টার্সের।
অনুমতি না থাকায় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় বিক্ষোভের অনুমতি দেয়া হয়নি। বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও রেলস্টেশনগুলোতে এরইমধ্যে ২৩ হাজার সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে রাজধানীর ৫৭টি মেট্রো স্টেশন। একইসাথে নয়াদিল্লি রেলওয়ে স্টেশনগামী শুক্র ও শনিবারের ৬১টি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করেছে ভারতের রেলওয়ে।
ভোটার তালিকার বিতর্কিত সংশোধনকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটও এ ইস্যুতে সরব রয়েছে। এদিকে, কেরালা, ব্যাঙ্গালুরুসহ কয়েকটি এলাকার বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করেছে পুলিশ।
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘আমাদের বিক্ষোভ হবেই। কারণ, যন্তর মন্তর নির্ধারিত প্রতিবাদস্থল। ভারতের সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদে বিক্ষোভ করার অধিকার দেয়া হয়েছে। তাহলে অনুমতির প্রয়োজন কেন? প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার যখন ১৩ কোটি ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন তখন কি জনগণের অনুমতি নিয়েছিলেন?’