এফ-১৫ জেট, ডেস্ট্রয়ার জাহাজ…ইরানের আশপাশে আমেরিকার গতিবিধি জানাল বিবিসির অনুসন্ধান

ইরানে কি আমেরিকা হামলা চালাতে যাচ্ছে?

গত কয়েকদিনে সম্ভবত মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এটিই। একবার শোনা যায় যুক্তরাষ্ট্র হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তো আরেকবার শোনা যায় হামলা চালালে ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরও অনেক দেশকে ভুগতে হতে পারে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে – এই ভেবে হামলার ব্যাপারে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছেন না যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আবার অনেকের ধারণা, ইরানকে পরমাণু চুক্তিতে বাধ্য করতেই হামলার ভয় দেখিয়ে চলেছেন ট্রাম্প।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা যখন চরমে, আজ বিবিসি তাদের লাইভ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের আশপাশে আরও অনেক যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও ড্রোন জড়ো করেছে আমেরিকা। তাদের অনুসন্ধানে এমন চিত্র পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছে বিবিসি।

লাইভ প্রতিবেদনে বিবিসি লিখেছে, আজ আমরা মধ্যপ্রাচ্যে আরও মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছানোর খবর দিচ্ছি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা এখনো চরমে। এই প্রেক্ষাপটে, গত এক সপ্তাহে বিবিসি ভেরিফাই কী কী পর্যবেক্ষণ করেছে —তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো।

স্যাটেলাইট ছবির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জর্ডানের মুয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে অন্তত এক ডজন এফ–১৫ যুদ্ধবিমান, একটি এমকিউ–৯ রিপার যুদ্ধ ড্রোন এবং একাধিক এ–১০সি থান্ডারবোল্ট টু স্থল আক্রমণকারী বিমান পৌঁছেছে।

এ ছাড়া আমরা যুক্তরাষ্ট্রের গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার জাহাজ ইউএসএস ডেলবার্ট ডি ব্ল্যাক-এর গতিপথ অনুসরণ করেছি। জাহাজটি মিসরের সুয়েজ খাল দিয়ে ভূমধ্যসাগর থেকে লোহিত সাগরে প্রবেশ করেছে। একই সময়ে, গত সপ্তাহে উপসাগরীয় অঞ্চলের আকাশে যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর এমকিউ–৪সি ট্রাইটন নজরদারি ড্রোনের কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

আগে যেসব ই–১১এ যোগাযোগ বিমান নিয়ে আমরা প্রতিবেদন করেছিলাম, তার পাশাপাশি বিবিসি ভেরিফাই পি–৮ পসেইডন এবং ই–৩জি সেন্ট্রি নজরদারি ও গোয়েন্দা বিমানগুলোর গতিবিধিও নজরে রেখেছে। এসব বিমানও সাম্প্রতিক সময়ে ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে।