যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন তেহরানের সাধারণ নাগরিকেরা। বলছেন, কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে সংঘাত এড়ানো সম্ভব। তবে একই সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রস্তুত থাকাও জরুরি বলে মনে করেন তারা।
একদিকে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও সহিংসতা, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতায় দীর্ঘদিন ধরেই উত্তপ্ত পরিস্থিতি। তবে শুক্রবার ওমানে দুদেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর সেই উত্তেজনা কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
এতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন ইরানের সাধারণ মানুষ। তাদের মতে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও পরমাণু কর্মসূচি অক্ষুণ্ন রেখে সীমিত ছাড় দিয়ে আলোচনায় অগ্রগতি সম্ভব। নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টিতেও গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।
ভবিষ্যতে আরও আলোচনা নিয়ে আশাবাদী ইরানের সাধারণ মানুষ। তাদের বিশ্বাস, সামরিক সংঘাত এড়াতেই যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্ররা তেহরানের সঙ্গে সমঝোতায় আগ্রহী।
ইরানের সাধারণ নাগরিকদের অনেকে মনে করেন, আলোচনা শুধু পরমাণু কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।
বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনা সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের ঝুঁকি কমতে পারে। তবে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ আলোচনার শর্ত নিয়ে দুই দেশের ভিন্ন অবস্থান।