আমেরিকার সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’ কমাও, নইলে ‘হামলা’: ইরানের সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন যেকোনো হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান। এ অবস্থায় দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো ধরনের সংযোগ বন্ধের আহ্বান তেহরানের। এদিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে অর্ধেকেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও এ তথ্য অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত, অবসানের নামেও প্রতিদিনই পাচ্ছে নতুন মাত্রা। যুদ্ধের গোলকধাঁধা বাড়ছে দুই দেশের হুমকি-পাল্টা হুমকিতে। তবে শুধু দুই দেশই নয়, এই গোলকধাঁধায় অংশ হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।

তেমনি উপসাগরীয় দেশগুলোকে কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে যেকোনো হামলার প্রতিশোধ হিসেবে অঞ্চলজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

এমনকি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধের আহ্বানও জানিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধ করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

এ অবস্থায় সৌদি আরব বলছে, উত্তেজনা আরও বাড়লে তা কেবল আরও ধ্বংসযজ্ঞই ডেকে আনবে। এজন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কূটনৈতিক উপায়ে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

এদিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারসেপ্টরের মজুত বিপজ্জনক মাত্রায় কমে গেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অর্ধেকেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতির কারণেই মার্কিন উপদেষ্টারা ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলা স্থগিত রাখতে রাজি করান। তবে হোয়াইট হাউস এ ধরনের তথ্য অস্বীকার করে দাবি করেছে, উপসাগরীয় দেশগুলোর চাপের মুখে ট্রাম্প ওই হামলা স্থগিত করেছিলেন।