সম্প্রতি ইরানে আয়োজিত সরকার-সমর্থিত বিশাল সমাবেশ ঘিরে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। বিশ্লেষকদের মতে, এই কর্মসূচির লক্ষ্য শুধু সম্ভাব্য বিদেশি হামলার মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া নয়। বরং সাধারণ নাগরিকদের সামরিক ও জরুরি কার্যক্রমে প্রশিক্ষিত করে অতিরিক্ত জনবল তৈরি, বাজিসের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারসহ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোও এর অন্যতম উদ্দেশ্য হতে পারে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তেহরানের বিভিন্ন সড়কে চোখে পড়ছে সামরিক সরঞ্জামের ছবি সংবলিত বড় বড় ব্যানার। কোথাও রকেটচালিত গ্রেনেড, কোথাও স্নাইপার রাইফেল বা অ্যাসল্ট রাইফেলের ছবি। তাতে লেখা, আপনি কি জানেন, এসব অস্ত্র কিভাবে কাজ করে?
এ অবস্থায় শুক্রবার অস্ত্র হাতে তেহরানের রাস্তায় দেখা যায় নারী-শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ছিল দেশটির অন্যতম বড় প্রকাশ্য সামরিক মহড়া। কর্মসূচিটির নাম দেয়া হয়েছে জানফাদায়ে ইরান অর্থাৎ, ইরানের জন্য জীবন উৎসর্গকারী।
মহড়ায় শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারীও এতে অংশ নেন। কর্তৃপক্ষের দাবি, দেশের সাধারণ নাগরিকদের সম্ভাব্য সংকট ও যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত করতেই এই উদ্যোগ। পাশাপাশি উদ্ধারকাজ, সামাজিক সেবা ও অন্যান্য জরুরি কার্যক্রমের জন্যও একটি বড় স্বেচ্ছাসেবী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চাইছে তেহরান।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, বিদেশি শক্তি মোকাবিলার পাশাপাশি বিপ্লবী গার্ড-- আইআরজিসির স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজের পুরোনো দেশপ্রেমিক ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনাও এই উদ্যোগের একটি উদ্দেশ্য হতে পারে। একইসাথে চলমান অর্থনৈতিক সংকট ও অতীতের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যৎ অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা মোকাবিলার প্রস্তুতিও এর অংশ হতে পারে। আপস...
তবে জনসমাবেশের উদ্দেশ্য ঘিরে বিশ্লেষকদের মধ্যে ভিন্নমত থাকলেও, ইরানের নিরাপত্তা কৌশলে সাধারণ নাগরিকদের আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার প্রবণতা স্পষ্ট হচ্ছে বলছেন বিশ্লেষকরা। আপস...
ইরানের এমন ঐক্যের বার্তা, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সাথে নতুন কোরে সংঘাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।