বিয়ে পড়ানোর কথা বলে এক নিহাহ রেজিষ্ট্রারকে (কাজী) বাসা থেকে ডেকে নিয়ে আটকে রেখে দুই লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজীব হোসেন অপুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় করা মামলায় রাজীব হোসেন অপু ও তার সহযোগী স্বপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তাদের কাছ থেকে চাঁদার দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল সোমবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাজীব হোসেন অপুকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর ২টার দিকে সদর উপজেলার কাটাখালী এলাকার বাসা থেকে বিয়ে পড়ানোর কথা বলে কাজী মো. হাবিবুর রহমানকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে রাজীব হোসেন অপু, স্বপনসহ চার-পাঁচজন মোটরসাইকেলে করে তাকে মুক্তারপুর এলাকায় নিয়ে একটি কক্ষে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় তার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে বাধ্য হয়ে মুন্সিগঞ্জ অগ্রণী ব্যাংক থেকে দুই লাখ টাকা তুলে অভিযুক্তদের দেওয়া হয়। টাকা পাওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে মামলায় অভিযোগ করেছেন হাবিবুর রহমান।
এজাহারে আরও বলা হয়, স্বপনের স্ত্রী ইতি (২৫) কাজী মো. হাবিবুর রহমানের মাধ্যমে স্বপনকে তালাকনামা প্রদান করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাবিবুর রহমানের কাছে চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে ছেলে সাংবাদিক নাহিদ হাসানকে সঙ্গে নিয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন হাবিবুর রহমান। নাহিদ হাসান দৈনিক মানবজমিনের সাংবাদিক।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন বলেন, মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে রাজীব হোসেন অপু ও স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।


