লালমনিরহাটে আধুনিক পদ্ধতিতে সবজি চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। অতিবৃষ্টি ও তীব্র রোদের ক্ষতি থেকে ফসল রক্ষায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যবহার হচ্ছে মালচিং পেপার। এতে উৎপাদন খরচ কমার পাশাপাশি ফলন বেড়েছে চাষিদের। একইসঙ্গে গণগত মান বজায় থাকছে কৃষিজমিরও।
ফসল উৎপাদনের জন্য জমি প্রস্তুতের পর বিছিয়ে দেয়া হয় মালচিং পেপার। এতে মাটিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা রক্ষার ফলে উৎপাদন সহজ হয়।
সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি এ পদ্ধতিতে সবজি চাষে ঝুঁকছেন লালমনিরহাটের কৃষকেরা। অতিবৃষ্টি কিংবা রোদে বিকল্প এ পদ্ধতিই ভরসা তাদের।
মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা করে পরিমাণ মতো জৈব সার প্রয়োগে বেঁচে যায় অতিরিক্ত খরচ। এ কারণে দিন দিন এই পদ্ধতিতে চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই।
কৃষি বিভাগ বলছে, পরিবেশ ও মাটির উর্বরতা রক্ষায় জৈব সার ব্যবহারে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে চাষিদের ।
লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মতিউল আলম বলেন, ‘কৃষিতে মালচিং ব্যবহার একটি ভালো দিক। এ পদ্ধতিতে সবজি চাষ করলে ফসলের রোগবালাই কম হয়, জমিতে দেওয়া সার নষ্ট হয় না এবং ভালো ফলন আশা করা যায়।’
এছাড়া জেলায় লতাজাতীয় সবজি চাষেও এসেছে আধুনিকতা। মাচা তৈরিতে বাঁশের পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে নেট ও সুতা। গাছের পরিচর্যা সহজের পাশাপাশি ফসলও থাকছে নিরাপদ।


