শুরু হলো ১২তম বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০২ পিএম

দেশের স্থাপত্য খাতের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার (বিএইএ) ২০২৬–এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি) সেন্টারের বার্জার সেমিনার হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ১২তম আসরের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড (বিপিবিএল) ও ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি) যৌথভাবে এ পুরস্কারের আয়োজন করছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইএবির সভাপতি স্থপতি অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ এম. আহমেদ এবং বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহসিন হাবিব চৌধুরী। এ ছাড়া আইএবির সহসভাপতি (জাতীয়) স্থপতি নওয়াজীশ মাহবুব, সহসভাপতি (আন্তর্জাতিক) স্থপতি মাহফুজুল হক জগলুল, সাধারণ সম্পাদক স্থপতি এম. মাসুদ উর রশিদসহ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বার্জারের পক্ষ থেকে চিফ বিজনেস অফিসার এ কে এম সাদেক নাওয়াজ ও চিফ মার্কেটিং অফিসার সালাহউদ্দিন আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে এবারের প্রতিযোগিতার নিয়মাবলি ও জুরি বোর্ডের পরিচয় তুলে ধরেন অ্যাওয়ার্ড ডিরেক্টর স্থপতি মৌসুমী আহমেদ। ডেপুটি অ্যাওয়ার্ড ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স্থপতি মো. মুহতাসিম গালিব ও স্থপতি এস. এম. এহসান উল হক স্বপ্নীল।

এবারের জুরি বোর্ডে রয়েছেন স্থপতি নাহাস আহমেদ খলিল, স্থপতি মোহাম্মদ শোয়েব ভূঁইয়া, স্থপতি কাজী ফিদা ইসলাম, ভিয়েতনামের স্থপতি নুয়েন হা এবং আলোকচিত্রী ও ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট রাশেদ জামান।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিযোগিতায় সাতটি প্রকল্পকে পুরস্কৃত করা হবে। বিজয়ী প্রতিটি প্রকল্প পাবে দুই লাখ টাকা, ট্রফি ও সনদপত্র। সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোকে দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা, ট্রফি ও সনদপত্র।

নিবন্ধিত স্থপতিদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৭ সেপ্টেম্বর। চূড়ান্ত প্রকল্প জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ অক্টোবর। জুরি বোর্ডের মূল্যায়ন শেষে আগামী ডিসেম্বরের চতুর্থ সপ্তাহে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে মহসিন হাবিব চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের স্থাপত্যশিল্পের বিকাশ ও নগর সভ্যতার নান্দনিক রূপায়ণে স্থপতিদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। বার্জার সবসময় তাঁদের সৃজনশীল উদ্যোগের পাশে থাকতে চায়। এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের সেরা স্থপতিদের কাজ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।’

আইএবির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ এম. আহমেদ বলেন, ‘দুই দশকের বেশি সময় ধরে এই পুরস্কার দেশের স্থপতিদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃষ্টিশীল কাজকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে।’ তার মতে, ‘এটি শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়। টেকসই ও পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যচর্চাকে উৎসাহিত করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবারের আসরে তরুণ ও অভিজ্ঞ স্থপতিরা তাঁদের সেরা কাজ উপস্থাপনের মাধ্যমে দেশের স্থাপত্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন, সংবিধান দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও উৎসব পালনের শতভাগ অধিকার দিয়েছে। তাই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনে কোনো দুশ্চিন্তা বা শঙ্কার...
রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রসংস্কারের যে অভূতপূর্ব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
লোডিং...
পঠিত নির্বাচিত

এলাকার খবর