‘ফাঁস প্রশ্নে চাকরি পেয়ে থাকলে ব্যবস্থা’

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৬:৩৩ পিএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ঘুষ যে নেয় আর ঘুষ যে দেয়, দুজনেই সমান অপরাধী। সুতরাং যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছে, তাদের ধরা হচ্ছে। আর তাদের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে কারা কারা এর সুবিধাভোগী, সেটার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার বিকেলে গণভবনে চীন সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের সুবিধা নিয়ে পাস করা এবং চাকরি পাওয়া ক্যাডারদের খুঁজে পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘২৪তম বিসিএস পরীক্ষা হয়েছিল ২০০২ বা ২০০৩ সালের দিকে, বিএনপির সময়। বিএনপির আমলে যে পরীক্ষা হতো, চাকরি হতো—এটা কিন্তু কোনো পরীক্ষা-টরীক্ষা না। হাওয়া ভবন থেকে তালিকা পাঠানো হতো, আর সেই তালিকাই (চূড়ান্ত) হতো।’

ওই সময়ের বিসিএস পরীক্ষা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই সময়ে ঢাকা কলেজে পরীক্ষা হয়। একটি বিশেষ কামরা তাদের জন্য রাখা হয়, যেখানে বসে তারা পরীক্ষা দিয়ে চাকরিতে ঢোকে। তখন কোনো উচ্চবাচ্চ নেই। প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ অনিয়মগুলো তো তখন থেকেই শুরু।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এর সঙ্গে জড়িত ছিল তাদেরকে ওখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ২০১৮ সালের পরে এই কোটা আন্দোলন-টান্দোলন হওয়ার পর এই গ্রুপটা আবার কীভাবে যেন জায়গা করে ফেলে, যেটা এখন ধরা পড়েছে।’

প্রশ্নফাঁস আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শুরু হয়নি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা জিয়ার আমলে শুরু হয়েছে, আর খালেদা জিয়া এসে তো আরও একধাপ বেশি করেছে। তখন তো তালিকা আসতো। আর যা তালিকা তাই হতো। অন্য কোনো কিছু করার সুযোগ ছিল না। করলে তারা বেঁচে থাকতে পারবে না। এই তো ছিল বাংলাদেশের অবস্থা। সেটা ভুলে গেলে চলবে?’

প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে যারা সুবিধা পেয়েছেন, অর্থাৎ যারা প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছেন, খুঁজে বের করা গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবস্থা নেবো না কেন? তাদের তো চাকরি করার কোনো অধিকারই থাকবে না। কিন্তু সেটা খুঁজে দেবে কে? যদি ওরা (প্রশ্নফাঁসকারীরা) বলে যে ওমুকের কাছে বিক্রি করেছিলাম, সেটা প্রমাণ করতে পারলে দেখা যাবে।’  

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার। বাংলাদেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা...
ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারের উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মকে নিজেদের বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান একদিনে দেশের তিনটি বিভাগ সফর করবেন। আগামী ২০ অক্টোবর রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের তিনটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয়...
বর্তমানে আবদুল গনি রোডে অবস্থিত সচিবালয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্যমেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। ২০২৯ সালে নতুন জায়গায় অফিস শুরু হবে।...
এবার অমর একুশের বইমেলা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি থেকে। মাসব্যাপী এ আয়োজন চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। বাংলা একাডেমির এক বিজ্ঞপ্তিতে বইমেলার এ সময়সূচি জানানো হয়েছে। রোববার বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক...
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪৮ জনে। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
হামের উপসর্গ নিয়ে রোববার ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়াল ১ হাজার ১৯৬ জনে। একদিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৩১৯ জন রোগী। 
লোডিং...
পঠিত নির্বাচিত

এলাকার খবর