সীমান্তে পুশ-ইন আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী, মত বিশেষজ্ঞদের

আপডেট : ১০ জুন ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম

সীমান্তে ভারতের পুশ-ইন চেষ্টাকে আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা। মানবিক দিক বিবেচনায় বিপন্ন মানুষকে শূন্য রেখায় ফেলে না রেখে সাময়িক আশ্রয় দেওয়া উচিত, মত তাদের। মানুষের দুর্ভোগে বেশি দায়িত্ব ভারতের, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আইন মেনে দ্রুত সমস্যা সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা। 

মে'র শুরু থেকে সীমান্তে বিএসএফের একের পর এক পুশ-ইন চেষ্টা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, নওগাঁ, পঞ্চগড়সহ বিভিন্ন সীমান্তে প্রতিদিনই পুশ-ইন চেষ্টা এবং তা প্রতিরোধের খবর পাওয়া যাচ্ছে। 

পরিসংখ্যান বলছে, জুনের শুরু থেকে বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায় ২০টি পুশ-ইন চেষ্টা হয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় নারী ও শিশুদের শূন্যরেখায় অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। 

শরণার্থী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুশ-ইন ও সীমান্ত হত্যা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক- দু'ধরনের আইনেরই লঙ্ঘন। মানুষকে শূন্যরেখায় ফেলে রাখা মানবিক সংকট তৈরি করে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। 

শরনার্থী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, 'আন্তর্জাতিক আইনের পরিভাষায় বিশেষ করে মানবিক অধিকার বা মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে একটা টার্ম আছে প্রিন্সিপাল অব নন-রিফরমার। এর অর্থ হচ্ছে, যাচাইবাছাই না করে কোনো ব্যক্তিকে বা গোষ্ঠীকে আমি এক দেশের বর্ডার থেকে আরেক দেশের বর্ডারে পুশ করতে পারব না। কেউ বাংলাদেশি, কেউ ভারতীয়, কাজেই এটা যাচাইবাছাই ছাড়া কোনোভাবেই আন্তর্জাতিক আইনে অনুমতি নেই, যে আমি ক্রস করতে পারি।' 

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পুশ-ইনের ক্ষেত্রে ভারত তার নিজের আইনই মানছে না। অনুসরণ করছে না কূটনৈতিক কাঠামোও। শুধু রাজনীতিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। 

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ূন কবির বলেন, 'কূটনৈতিক যে পদ্ধতিগুলো আছে, সেটার সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য সচেষ্ট থাকা উচিত। রাজনীতি তারা (ভারত) করতে চান তাদের ওখানে তারা করেন- তাতে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু তাদের রাজনীতির ফসল যেন আমার ঘাড়ে এসে না পড়ে।' 

পুশ-ইনের কারণে মানবিক সংকটের পাশাপাশি সংঘাতের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশের আইনে বাবাকে শিশুর ‘স্বাভাবিক অভিভাবক’ হিসেবে গণ্য করা হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত পরিচর্যাকারী মাকে চরম ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়। বিশেষ করে স্কুলে ভর্তি, জরুরি চিকিৎসা বা বিদেশভ্রমণের...
প্রবাসীদের যেকোনো ধরনের সমস্যা সমাধানে বিশেষ আদালতের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এক্ষেত্রে রামরু যদি পাশে থাকতে চায় তাদের স্বাগত জানানো হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তাঁর সরকার সর্বশক্তি দিয়ে সবার জন্য আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে এবং দেশে পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার ধ্বংসকৃত আইনের শাসন পর্যায়ক্রমে প্রতিষ্ঠা করবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে সরকার প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।
সৌদি আরবের একটি মসজিদের অভ্যন্তরে ‘ব্যভিচারে’ লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়টি আগে জানত না বাংলাদেশ সরকার। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর বিষয়টি জানতে পারে ঢাকা।...
লিটনের বদলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অধিনায়কত্ব করছেন তাওহীদ হৃদয়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে না খেলা লিটনকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ দিয়েছে বিসিবি। শুধু এই ম্যাচ নয়...
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড নামের ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট এক ঘণ্টা চেষ্টার পর বিকেল সাড়ে ৫টার...
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার সায়েদাবাদ বাজারের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  রৌমারী থানার ওসি কাউসার...
লোডিং...
পঠিত নির্বাচিত

এলাকার খবর